দেশে পেট্রোল ও অকটেনের সাম্প্রতিক সংকটের প্রভাব পড়েছে রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে। অনেক জায়গায় বাইকার ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু স্টেশনে জ্বালানি বিক্রির সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছিল। এতে সাধারণ গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়লেও রাজধানীর কিছু স্টেশনে ভিন্ন চিত্রও দেখা গেছে।
মিরপুরের দারুস সালাম রোডে অবস্থিত খালেক সার্ভিস স্টেশন এমনই একটি পাম্প, যেখানে তেল সংকটের মধ্যেও গ্রাহকদের সুশৃঙ্খলভাবে সেবা দেওয়া হচ্ছে। পাম্পটিতে দীর্ঘ লাইন থাকলেও গ্রাহকদের অভিযোগ নেই সেবার মান নিয়ে।
খালেক সার্ভিস স্টেশনের ম্যানেজার জানান, জ্বালানির সরবরাহ স্বল্প থাকলেও তারা চেষ্টা করছেন যেন প্রত্যেক গ্রাহকই তেল পান এবং তা সুশৃঙ্খলভাবে পান। তিনি বলেন, “তেলের সংকটের কারণে চাপ অনেক বেশি। তারপরও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে গ্রাহকরা কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন। আশা করছি খুব দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।”
পাম্পে তেল নিতে আসা বেশ কয়েকজন বাইকার ও ব্যক্তিগত গাড়িচালক জানান, অন্য অনেক পাম্পে তেল পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও এখানে অপেক্ষা করলেই তেল পাওয়া যাচ্ছে। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হলেও সুশৃঙ্খলভাবে সেবা পাওয়ায় তারা সন্তুষ্ট।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় গত ৬ মার্চ থেকে সরকার তেল কেনায় একটি সীমা নির্ধারণ করেছিল। তবে ফিলিং স্টেশন মালিক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ এবং আসন্ন ঈদযাত্রায় ভোগান্তি এড়াতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জরুরি বৈঠকে সেই সীমা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়ে রোববার সকালে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার কথা রয়েছে।
উপদেষ্টা ড. সরকার মো.আবুল কালাম আজাদ। সম্পাদক : সরকার মো. আব্দুল মা'বুদ জীবন। প্রকাশক : মোছা. বর্না খাতুন। নির্বাহী সম্পাদক : টুটুল হুমায়ুন। ঠিকানা : বাড়ী, নীল অপরাজিতা, ২১৯/৪- ক দক্ষিণ পীরেরবাগ, আগারগাঁও ঢাকা, যোগাযোগ : +৮৮০১৮১৪৯৯০৫৪৬, ইমেইল : smjiboneditor@gmail.com
© All rights reserved © NagorikKontho