সেন্টার ফর দ্যা রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্যা প্যারালাইজড - সিআরপি’র অর্থায়নে হুমায়ূন ফরিদ প্রযোজিত এবং গাজী রাকায়েত পরিচালিত ‘মানুষটিকে দেখ (See The Person)’ সিনেমাটি বেশ কিছুদিন আগেই সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়েছে। সিনেমাটি আসছে ১ মে ২০২৬ তারিখে, যমুনা ব্লকবাস্টার সিনেমাতে মুক্তি পাবে। এ উপলক্ষ্যে আগামী ৩০ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, যমুনা ব্লকবাস্টার সিনেমাতেই সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ‘মিট দ্যা প্রেস’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। একই মিলনায়তনে সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে শুধুমাত্র আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য এই চলচ্চিত্রের একটা বিশেষ প্রদর্শনীও করা হবে। উল্লেখ্য যে, এই সিনেমার ট্রেইলার ইতিমধ্যে ফেসবুক ও ইউটিউবে রিলিজ করা হয়েছে।
‘মানুষটিকে দেখ (See The Person)’ সিনেমার প্রযোজক হুমায়ূন ফরিদ সূত্রে জানা গেল যে সমাজ থেকে কুসংস্কার দূর ও গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে এলসপেথ ওয়েলডি বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সেরিব্রাল পালসি নিয়ে ‘See the Person (মানুষটিকে দেখ)’ এর চিত্রনাট্যটি লিখেছেন। এতে দেখা যায় ফরিদা আহমেদ নামের প্রধান নারী চরিত্রটি সেরিব্রাল পালসি-তে আক্রান্ত। সে বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে মেধাবী হলেও শারীরিকভাবে অক্ষম, হুইল চেয়ারে চলা-ফেরা করে। মানুষ তাকে কটু কথা শোনায়, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে। তবুও সে দমে যায় না। সে সেরিব্রাল পালসি-তে আক্রান্ত সব মানুষের মানবিক অধিকারটুকু অর্জনের জন্য লড়াই করে। এ কাজে তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে ফিরোজ মালমুদ। সে কাজ করে পথশিশুদের নিয়ে। একসাথে পথ চলতে চলতে ফিরোজ ও ফরিদার মধ্যে একটি প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তাদের সেই সম্পর্কে বাঁধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়ায় ফিরোজের বড়লোক বাবা মিস্টার মালমুদ। তারপর গল্প মোড় নেয় অন্য দিকে।
ছবিটি নিয়ে খুব আশাবাদী নন্দিত অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক গাজী রাকায়েত। তিনি এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন এবং একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয়ও করেছেন। তিনি টেলিফোনে বলেন, “মানুষটিকে দেখ (See The Person) আমার তৃতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। আমার আগের দুটি সিনেমা ‘মৃত্তিকা মায়া’ ও ‘গোর – The Grave’ অনেকগুলি ন্যাশনাল এ্যাওয়ার্ড পেয়েছিল এবং জনপ্রিয়ও হয়েছিল। আশা করি, বাংলাদেশের দর্শকরা এই সিনেমাটিও পছন্দ করবেন।
সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন,রাশনা শারমিন কেমি, তাহমিদ আরেফিন হক, তারিক আনাম খান, মিলি বাশার, মামুনুর রশীদ, রহমত আলী, গাজী রাকায়েত, শতাব্দী ওয়াদুদ, লারা লোটাস, এহসানুর রহমান, ইকবাল হোসেন, কাজী নওশাবা, রাজীব সালেহীন, শর্মীমালা, হুমায়ূন ফরিদ, মৃণাল দত্ত, আনন্দ খালেদ, তাহমিনা মোনা, আদনান বাঙালী, মিজানুর রহমান, নমিতা দাস, মীর বরকত, অনিক খান, হোসনে আরা, রিয়াদ, আরিফ, মোহন ও ভ্যালেরি আন টেইলর অভিনীত এই বক্তব্যধর্মী চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য লিখেছেন ইংরেজ লেখক, প্রযোজক ও পরিচালক এলসপেথ ওয়েলডি।
এই সিনেমার নির্মাণে একদল অসাধারণ অভিনয়শিল্পীদের সাথে ক্যামেরার পিছনে কাজ করেছেন দেশেরে সব নামকরা কলাকুশলীরা। শিল্প নির্দেশনা দিয়েছেন উত্তম গুহ। সিনেমাটোগ্রাফি করেছেন শেখ রাজিবুল ইসলাম। আবহসঙ্গীত করেছেন সৈয়দ সাবাব আলী আরজু। কস্টিউম ডিজাইনার ছিলেন সাকি তারা। স্টিল ফটোগ্রাফি করেছে খায়রুল ইসলাম জাহিদুল। আর সিনেমাটি সম্পাদনার গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন প্রিন্স সজল এবং কালার গ্রেডিং করেছেন সৌরভ দাস”।
উপদেষ্টা ড. সরকার মো.আবুল কালাম আজাদ। সম্পাদক : সরকার মো. আব্দুল মা'বুদ জীবন। প্রকাশক : মোছা. বর্না খাতুন। নির্বাহী সম্পাদক : টুটুল হুমায়ুন। ঠিকানা : বাড়ী, নীল অপরাজিতা, ২১৯/৪- ক দক্ষিণ পীরেরবাগ, আগারগাঁও ঢাকা, যোগাযোগ : +৮৮০১৮১৪৯৯০৫৪৬, ইমেইল : smjiboneditor@gmail.com
© All rights reserved © NagorikKontho