ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
পাংশায় ‘ফাল্গুনের অগ্নিশিখা’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন রাজবাড়ী জেলার নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আফরোজা পারভীন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাৎ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদারের প্রত্যয় রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে এনএসআই’র অভিযান: অবৈধভাবে অকটেন গুদামজাতের অপরাধে আটক ১ কালুখালীতে ব্যস্ত সময় পার করলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা আক্তার কোনাবাড়ীর আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনে রাতের আঁধারে ড্রামে ৪০০ লিটার ডিজেল, বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ কালুখালীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব পরিবারগুলো, মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়ে সহায়তার আহ্বান দিনাজপুরে যাত্রীবাহী কোচ ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত ৬ ছাদ ও বারান্দায় সবজি চাষে বীজ বিতরণ কার্যক্রম দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কৃষিকার্ডসহ কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাড়ির নামজারির কাগজ পৌঁছে দিলেন- গণপূর্ত উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ১৯৬ নম্বর গুলশান এভিনিউতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী,বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে বরাদ্দকৃত নিজস্ব বাড়িটির নামজারির কাগজ তাঁর নিকট পৌঁছে দিয়েছেন। গণপূর্ত উপদেষ্টা জনাব আদিলুর রহমান।

বুধবার (৪ জুন) রাতে খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসা ফিরোজায় দেখা করতে গিয়ে গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম ও রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম এই নামজারির কাগজ তুলে দেন।

বিষয়টি নিয়ে খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার “নাগরিক কন্ঠকে” বলেন, উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এসেছিলেন সৌজন্য সাক্ষাত করতে। কিছু কাগজ দেখতে পেয়েছি তাদের হাতে। তবে সেগুলো কিসের তা জানি না

সরকারের একটি সূত্র জানায়, গুলশানের বাড়িটি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিয়ন্ত্রণেই আছে। তবে তার নামে নামজারি করা ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর খালেদা জিয়ার নামে বাড়িটি নামজারি করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে নামজারির কাগজটি খালেদা জিয়ার হাতে তুলে দিতে চেয়েছে সরকার। কিন্তু খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কারণে এই আনুষ্ঠানিকতা দেরি হয়।

এর আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় যান শিল্প এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম ও রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের ৩১ মে রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী খালেদা জিয়াকে রাজধানীর গুলশান এলাকায় দেড় বিঘা জমির ওপর অবস্থিত ওই বাড়ি বরাদ্দ দেয়া হয়। বাড়িটি খালেদা জিয়া গুলশানে ‘ফিরোজা’ নামের যে বাড়িতে থাকেন, সেটির কাছেই। এর বাইরে ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরও আরেকটি বাড়ি খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার সেনানিবাসের বাড়িটির বরাদ্দ বাতিল করে।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৩:১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫
১১২ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাড়ির নামজারির কাগজ পৌঁছে দিলেন- গণপূর্ত উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৩:১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫

রাজধানীর ১৯৬ নম্বর গুলশান এভিনিউতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী,বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে বরাদ্দকৃত নিজস্ব বাড়িটির নামজারির কাগজ তাঁর নিকট পৌঁছে দিয়েছেন। গণপূর্ত উপদেষ্টা জনাব আদিলুর রহমান।

বুধবার (৪ জুন) রাতে খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসা ফিরোজায় দেখা করতে গিয়ে গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম ও রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম এই নামজারির কাগজ তুলে দেন।

বিষয়টি নিয়ে খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার “নাগরিক কন্ঠকে” বলেন, উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এসেছিলেন সৌজন্য সাক্ষাত করতে। কিছু কাগজ দেখতে পেয়েছি তাদের হাতে। তবে সেগুলো কিসের তা জানি না

সরকারের একটি সূত্র জানায়, গুলশানের বাড়িটি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিয়ন্ত্রণেই আছে। তবে তার নামে নামজারি করা ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর খালেদা জিয়ার নামে বাড়িটি নামজারি করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে নামজারির কাগজটি খালেদা জিয়ার হাতে তুলে দিতে চেয়েছে সরকার। কিন্তু খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কারণে এই আনুষ্ঠানিকতা দেরি হয়।

এর আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় যান শিল্প এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম ও রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের ৩১ মে রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী খালেদা জিয়াকে রাজধানীর গুলশান এলাকায় দেড় বিঘা জমির ওপর অবস্থিত ওই বাড়ি বরাদ্দ দেয়া হয়। বাড়িটি খালেদা জিয়া গুলশানে ‘ফিরোজা’ নামের যে বাড়িতে থাকেন, সেটির কাছেই। এর বাইরে ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরও আরেকটি বাড়ি খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার সেনানিবাসের বাড়িটির বরাদ্দ বাতিল করে।