ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রেকর্ড পরিমান ভোটের ব্যবধানে রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী হারুন অর রশীদের নিরঙ্কুশ বিজয় কালিয়াকৈরে অপহরণ ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ নগদ টাকা লুট ও প্রাণনাশের হুমকি- থানায় অভিযোগ প্রথমবারের মতো দুই আসনে বিজয়ী বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ৫০ লাখ টাকাসহ বেলাল উদ্দিন প্রধান নামে এক যাত্রী আটক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুরে ২৫৭টি ভোট কেন্দ্র অধিক গুরুত্বপূর্ণ উল্লাপাড়ায় এম. আকবর আলী’র শেষ নির্বাচনী জনসভায় জনতার ঢল ঢাকা–১৭ আসনে নির্বাচনী প্রচারণায়  কড়াইল বস্তিতে ধানের শীষের পক্ষে ৯৯ ভাগ ভোটের আশা শাজাহানের সংসদ নির্বাচন: দূরপাল্লার যানবাহন চলাচলের বিষয়ে যা জানা গেল মনিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির মিছিল ও পথসভায় হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ বহু দিন পর নানি বাড়ী এসে উন্নয়ন করতে ধানের শীষে ভোট চাইলেন তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাড়ির নামজারির কাগজ পৌঁছে দিলেন- গণপূর্ত উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ১৯৬ নম্বর গুলশান এভিনিউতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী,বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে বরাদ্দকৃত নিজস্ব বাড়িটির নামজারির কাগজ তাঁর নিকট পৌঁছে দিয়েছেন। গণপূর্ত উপদেষ্টা জনাব আদিলুর রহমান।

বুধবার (৪ জুন) রাতে খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসা ফিরোজায় দেখা করতে গিয়ে গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম ও রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম এই নামজারির কাগজ তুলে দেন।

বিষয়টি নিয়ে খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার “নাগরিক কন্ঠকে” বলেন, উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এসেছিলেন সৌজন্য সাক্ষাত করতে। কিছু কাগজ দেখতে পেয়েছি তাদের হাতে। তবে সেগুলো কিসের তা জানি না

সরকারের একটি সূত্র জানায়, গুলশানের বাড়িটি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিয়ন্ত্রণেই আছে। তবে তার নামে নামজারি করা ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর খালেদা জিয়ার নামে বাড়িটি নামজারি করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে নামজারির কাগজটি খালেদা জিয়ার হাতে তুলে দিতে চেয়েছে সরকার। কিন্তু খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কারণে এই আনুষ্ঠানিকতা দেরি হয়।

এর আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় যান শিল্প এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম ও রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের ৩১ মে রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী খালেদা জিয়াকে রাজধানীর গুলশান এলাকায় দেড় বিঘা জমির ওপর অবস্থিত ওই বাড়ি বরাদ্দ দেয়া হয়। বাড়িটি খালেদা জিয়া গুলশানে ‘ফিরোজা’ নামের যে বাড়িতে থাকেন, সেটির কাছেই। এর বাইরে ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরও আরেকটি বাড়ি খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার সেনানিবাসের বাড়িটির বরাদ্দ বাতিল করে।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৩:১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫
৯৪ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাড়ির নামজারির কাগজ পৌঁছে দিলেন- গণপূর্ত উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৩:১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫

রাজধানীর ১৯৬ নম্বর গুলশান এভিনিউতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী,বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে বরাদ্দকৃত নিজস্ব বাড়িটির নামজারির কাগজ তাঁর নিকট পৌঁছে দিয়েছেন। গণপূর্ত উপদেষ্টা জনাব আদিলুর রহমান।

বুধবার (৪ জুন) রাতে খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসা ফিরোজায় দেখা করতে গিয়ে গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম ও রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম এই নামজারির কাগজ তুলে দেন।

বিষয়টি নিয়ে খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার “নাগরিক কন্ঠকে” বলেন, উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এসেছিলেন সৌজন্য সাক্ষাত করতে। কিছু কাগজ দেখতে পেয়েছি তাদের হাতে। তবে সেগুলো কিসের তা জানি না

সরকারের একটি সূত্র জানায়, গুলশানের বাড়িটি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিয়ন্ত্রণেই আছে। তবে তার নামে নামজারি করা ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর খালেদা জিয়ার নামে বাড়িটি নামজারি করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে নামজারির কাগজটি খালেদা জিয়ার হাতে তুলে দিতে চেয়েছে সরকার। কিন্তু খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কারণে এই আনুষ্ঠানিকতা দেরি হয়।

এর আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় যান শিল্প এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম ও রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের ৩১ মে রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী খালেদা জিয়াকে রাজধানীর গুলশান এলাকায় দেড় বিঘা জমির ওপর অবস্থিত ওই বাড়ি বরাদ্দ দেয়া হয়। বাড়িটি খালেদা জিয়া গুলশানে ‘ফিরোজা’ নামের যে বাড়িতে থাকেন, সেটির কাছেই। এর বাইরে ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরও আরেকটি বাড়ি খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার সেনানিবাসের বাড়িটির বরাদ্দ বাতিল করে।