ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
কালুখালীতে ব্যস্ত সময় পার করলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা আক্তার কোনাবাড়ীর আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনে রাতের আঁধারে ড্রামে ৪০০ লিটার ডিজেল, বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ কালুখালীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব পরিবারগুলো, মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়ে সহায়তার আহ্বান দিনাজপুরে যাত্রীবাহী কোচ ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত ৬ ছাদ ও বারান্দায় সবজি চাষে বীজ বিতরণ কার্যক্রম দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কৃষিকার্ডসহ কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী দিলারা হাফিজ মারা গেছেন রাজবাড়ী দৌলতদিয়া ফেরি দুর্ঘটনায় কালুখালীর ৮ জনের মৃত্যু করল্লা পুষ্টিকর সবজি-সরকর মো:আবুল কালাম আজাদ  মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

কোনাবাড়ীর আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনে রাতের আঁধারে ড্রামে ৪০০ লিটার ডিজেল, বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ

আসাদুজ্জামান

কোনাবাড়ীর আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনে রাতের আঁধারে ড্রামে ৪০০ লিটার ডিজেল, বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ

মো: আসাদুজ্জামান, রিপোর্টার, গাজীপুর।

দেশব্যাপী জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মধ্যেই গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে অবস্থিত আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনকে ঘিরে উঠেছে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই ফিলিং স্টেশনে গভীর রাতে নিয়মবহির্ভূতভাবে ড্রামে ডিজেল বিক্রি এবং অতিরিক্ত টাকা আদায়ের ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

২৯ মার্চ ২০২৬ ইং রাত আনুমানিক ২টার দিকে ঢাকা মেট্রো উ-১২-৩৬৩০ নম্বরের একটি গাড়িতে ড্রামের মাধ্যমে প্রায় চারশত লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়। অথচ প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এভাবে ড্রামে চারশত লিটার জ্বালানি সরবরাহের কোনো অনুমতি নেই।

এ বিষয়ে আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনের ক্যাশিয়ার মিরাজ প্রাথমিকভাবে বলেন, “ড্রামে তেল দেওয়ার নিয়ম নেই, তবে আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।” পরে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে, একই সময়ে একটি ট্রাকে আশি লিটার ডিজেল সরবরাহের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্য আট হাজার টাকা হলেও অতিরিক্ত একশত টাকা নিয়ে আট হাজার একশত টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনের নজেল ম্যান এহেসান এ বিষয়ে জানান, অতিরিক্ত অর্থ ‘ঈদ বকশিশ’ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। তবে ঈদ শেষ হওয়ার নয় দিন পরও এ ধরনের অজুহাতে বাড়তি টাকা আদায়কে অযৌক্তিক বলছেন সচেতন মহল।

ঘটনার সময় আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মেহেদী উপস্থিত ছিলেন না। তার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি, যা পুরো ঘটনাকে আরও রহস্যজনক করে তুলেছে।

ফিলিং স্টেশনটির মালিক কাজী ইকবালের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, একটি ব্যস্ত মহাসড়কের পাশে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ এই আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনে রাতের আঁধারে এ ধরনের অনিয়ম শুধু নিয়ম লঙ্ঘনই নয়, বরং সম্ভাব্য জ্বালানি সিন্ডিকেট বা কালোবাজারির ইঙ্গিত বহন করে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৪:৫৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
২ বার পড়া হয়েছে

কোনাবাড়ীর আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনে রাতের আঁধারে ড্রামে ৪০০ লিটার ডিজেল, বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৪:৫৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

কোনাবাড়ীর আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনে রাতের আঁধারে ড্রামে ৪০০ লিটার ডিজেল, বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ

মো: আসাদুজ্জামান, রিপোর্টার, গাজীপুর।

দেশব্যাপী জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মধ্যেই গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে অবস্থিত আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনকে ঘিরে উঠেছে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই ফিলিং স্টেশনে গভীর রাতে নিয়মবহির্ভূতভাবে ড্রামে ডিজেল বিক্রি এবং অতিরিক্ত টাকা আদায়ের ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

২৯ মার্চ ২০২৬ ইং রাত আনুমানিক ২টার দিকে ঢাকা মেট্রো উ-১২-৩৬৩০ নম্বরের একটি গাড়িতে ড্রামের মাধ্যমে প্রায় চারশত লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়। অথচ প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এভাবে ড্রামে চারশত লিটার জ্বালানি সরবরাহের কোনো অনুমতি নেই।

এ বিষয়ে আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনের ক্যাশিয়ার মিরাজ প্রাথমিকভাবে বলেন, “ড্রামে তেল দেওয়ার নিয়ম নেই, তবে আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।” পরে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে, একই সময়ে একটি ট্রাকে আশি লিটার ডিজেল সরবরাহের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্য আট হাজার টাকা হলেও অতিরিক্ত একশত টাকা নিয়ে আট হাজার একশত টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনের নজেল ম্যান এহেসান এ বিষয়ে জানান, অতিরিক্ত অর্থ ‘ঈদ বকশিশ’ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। তবে ঈদ শেষ হওয়ার নয় দিন পরও এ ধরনের অজুহাতে বাড়তি টাকা আদায়কে অযৌক্তিক বলছেন সচেতন মহল।

ঘটনার সময় আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মেহেদী উপস্থিত ছিলেন না। তার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি, যা পুরো ঘটনাকে আরও রহস্যজনক করে তুলেছে।

ফিলিং স্টেশনটির মালিক কাজী ইকবালের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, একটি ব্যস্ত মহাসড়কের পাশে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ এই আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনে রাতের আঁধারে এ ধরনের অনিয়ম শুধু নিয়ম লঙ্ঘনই নয়, বরং সম্ভাব্য জ্বালানি সিন্ডিকেট বা কালোবাজারির ইঙ্গিত বহন করে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।