ঢাকা ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ভিআইপি প্রটোকল ছাড়া সাধারণ সিগন্যাল মেনে চলায় রাজধানীতে যানবাহনের গতি বেড়েছে: অতিরিক্ত প্রেস সচিব রমজানজুড়ে ইফতার বিতরণ: মিরপুরে প্রশংসায় ভাসছেন আমিনুর রহমান শান্ত জাতীয় প্রেসক্লাবে ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস ফোরামের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিরামপুরে সেটেলমেন্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভুয়া রেকর্ড দিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে চিফ হুইপসহ ছয় হুইপ নিয়োগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও হুইপ পদে নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে উল্লাপাড়ায় সংরক্ষিত নারী আসনের গণদাবি জোরালো দলীয় গতিশীলতা ও জনউন্নয়ন ত্বরান্বিত করার প্রত্যাশা প্যারিস খাল পরিদর্শনে ডিএনসিসি প্রশাসক: বর্ষার আগেই খনন–পরিষ্কারে জোর, দখলমুক্তে আইনগত পদক্ষেপের ঘোষণা কালুখালীতে নবাব ফ্যাশন হাউসের শুভ উদ্বোধন, ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত মিরপুরে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত যুবদল নেতা আমিনুর রহমান শান্তর ইফতার কর্মসূচির ১১তম দিনেও সুশৃঙ্খল আয়োজন দিনাজপুরে চঞ্চল্যকর শিশু হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামীর স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি

যশোর-৬ আসনে আজাদের মনোনয়নে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, শ্রাবণের প্রার্থিতা না পাওয়ায় এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া

যশোর প্রতিবেদক

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে আবুল হোসেন আজাদকে মনোনয়ন দেওয়ার পর এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কোথাও দেখা গেছে উৎসাহ-উদ্দীপনা, আবার কোথাও গাজী রণকুল ইসলাম শ্রাবণের প্রার্থিতা না দেওয়ায় বিরূপ প্রতিক্রিয়াও প্রকাশ পাচ্ছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন আজাদকে মনোনয়ন দেওয়ায় তার সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ ও প্রস্তুতি শুরু হলেও, দীর্ঘদিন মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকা গাজী রণকুল ইসলাম শ্রাবণের প্রার্থিতা না পাওয়ায় একাংশ নেতাকর্মীর মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, শ্রাবণ এলাকায় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন এবং তৃণমূল পর্যায়ে তার একটি শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছিল। ফলে শেষ মুহূর্তে তার নাম বাদ পড়ায় অনেক সমর্থক বিষয়টি সহজে মেনে নিতে পারছেন না।
তবে এ বিষয়ে গাজী রণকুল ইসলাম শ্রাবণ নিজে দলীয় শৃঙ্খলা ও ঐক্যের বার্তা দিয়ে ঢাকায় ফিরে গেছেন এবং প্রকাশ্যে দলের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানান। তিনি বলেন,
“দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। বিএনপির স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
অন্যদিকে আবুল হোসেন আজাদের ঘনিষ্ঠরা বলছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করছেন এবং সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার কারণে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তার ওপর আস্থা রেখেছে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব বিভ্রান্তি কেটে যাবে এবং সবাই দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মিশ্র প্রতিক্রিয়া সামাল দিয়ে ঐক্য গড়ে তোলাই এখন বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দলীয় নেতৃত্ব দ্রুত তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে মনে করছেন তারা।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৪:০২:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
৫২ বার পড়া হয়েছে

যশোর-৬ আসনে আজাদের মনোনয়নে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, শ্রাবণের প্রার্থিতা না পাওয়ায় এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া

আপডেট সময় ০৪:০২:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে আবুল হোসেন আজাদকে মনোনয়ন দেওয়ার পর এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কোথাও দেখা গেছে উৎসাহ-উদ্দীপনা, আবার কোথাও গাজী রণকুল ইসলাম শ্রাবণের প্রার্থিতা না দেওয়ায় বিরূপ প্রতিক্রিয়াও প্রকাশ পাচ্ছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন আজাদকে মনোনয়ন দেওয়ায় তার সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ ও প্রস্তুতি শুরু হলেও, দীর্ঘদিন মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকা গাজী রণকুল ইসলাম শ্রাবণের প্রার্থিতা না পাওয়ায় একাংশ নেতাকর্মীর মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, শ্রাবণ এলাকায় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন এবং তৃণমূল পর্যায়ে তার একটি শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছিল। ফলে শেষ মুহূর্তে তার নাম বাদ পড়ায় অনেক সমর্থক বিষয়টি সহজে মেনে নিতে পারছেন না।
তবে এ বিষয়ে গাজী রণকুল ইসলাম শ্রাবণ নিজে দলীয় শৃঙ্খলা ও ঐক্যের বার্তা দিয়ে ঢাকায় ফিরে গেছেন এবং প্রকাশ্যে দলের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানান। তিনি বলেন,
“দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। বিএনপির স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
অন্যদিকে আবুল হোসেন আজাদের ঘনিষ্ঠরা বলছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করছেন এবং সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার কারণে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তার ওপর আস্থা রেখেছে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব বিভ্রান্তি কেটে যাবে এবং সবাই দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মিশ্র প্রতিক্রিয়া সামাল দিয়ে ঐক্য গড়ে তোলাই এখন বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দলীয় নেতৃত্ব দ্রুত তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে মনে করছেন তারা।