ঢাকা ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মিরপুর চিড়িয়াখানা রোডে মাদকের দৌরাত্ম্য: প্রকাশ্যে কেনাবেচার অভিযোগ, কঠোর অভিযানের দাবি পহেলা মে মুক্তি পাচ্ছে গাজী রাকায়েতের “মানুষটিকে দেখ” চিকিৎসা সেবায় অরবিন্দ শিশু হাসপাতালের ভূমিকা অনন্য : সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, এমপি জাতীয় ম্যাগাজিন ‘মাসিক অগ্নিবার্তা’র ৩২ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন’র শেরে বাংলা নগর থানা কমিটি অনুমোদন ও ছাদ কৃষিতে উৎসাহ সৃষ্টির জন্য বীজ বিতরণ ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদাকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা, অভিযোগ ও প্রত্যাশার মিশ্র প্রতিক্রিয়া নব-যোগদানকৃত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কালুখালী উপজেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে সাশ্রয়ী খাবার: নোয়াবের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে ১৫০ টাকার মধ্যেই লাঞ্চ ও নাস্তা মিরপুরে ময়লা অপসারণে বিশৃঙ্খলা, দখল ও হুমকির অভিযোগে বাড়ছে ভোগান্তি

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করলেন- প্রধানমন্ত্রী 

নিজস্ব প্রতিবেদক

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার হিসেবে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ ২০২৬) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান, এমপি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এ সময় বিভিন্ন ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, ইসলামিক চিন্তাবিদ, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ সমাজে নৈতিকতা, শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাদের সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সম্মানী কার্যক্রমের মাধ্যমে ধর্মীয় নেতাদের সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে এবং ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণ এবং সমাজে শান্তি ও সহনশীলতার পরিবেশ বজায় রাখতে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই উদ্যোগ দেশের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি সরকারের আন্তরিকতা ও শ্রদ্ধার প্রতিফলন। তারা আশা করেন, এর মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার এবং সামাজিক নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৬:২৬:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
৩০ বার পড়া হয়েছে

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করলেন- প্রধানমন্ত্রী 

আপডেট সময় ০৬:২৬:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার হিসেবে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ ২০২৬) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান, এমপি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এ সময় বিভিন্ন ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, ইসলামিক চিন্তাবিদ, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ সমাজে নৈতিকতা, শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাদের সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সম্মানী কার্যক্রমের মাধ্যমে ধর্মীয় নেতাদের সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে এবং ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণ এবং সমাজে শান্তি ও সহনশীলতার পরিবেশ বজায় রাখতে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই উদ্যোগ দেশের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি সরকারের আন্তরিকতা ও শ্রদ্ধার প্রতিফলন। তারা আশা করেন, এর মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার এবং সামাজিক নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।