ঢাকা ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
পহেলা বৈশাখে মিরপুরে পান্তা-ভাতের আয়োজন বাবুল মোল্লার উদ্যোগে পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী -তারেক রহমান বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর প্রার্থী আমিনুর রহমান শান্ত বিতর্কিত আলী আফজালের নেতৃত্বে রিহ্যাব দখলের অভিযোগ, উদ্বেগ সংশ্লিষ্ট মহলে ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে দিনাজপুরে জিরো পয়েন্ট দৌড়ে ইতিহাস গড়লেন তরুণ অ্যাথলেট সাকিব উৎসবমুখর পরিবেশে ফুলকুঁড়ি বিদ্যানিকেতনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ উপনির্বাচন: দুই আসনেই বিএনপির বড় জয় পাংশায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত কালুখালীতে মাদকবিরোধী অভিযান: ৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড লোহাগড়ায় দাফনের ৭ মাস পর কবর থেকে পার্ক ম্যানেজারের লাশ উত্তোলন, তদন্তে নতুন মোড়

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করলেন- প্রধানমন্ত্রী 

নিজস্ব প্রতিবেদক

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার হিসেবে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ ২০২৬) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান, এমপি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এ সময় বিভিন্ন ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, ইসলামিক চিন্তাবিদ, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ সমাজে নৈতিকতা, শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাদের সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সম্মানী কার্যক্রমের মাধ্যমে ধর্মীয় নেতাদের সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে এবং ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণ এবং সমাজে শান্তি ও সহনশীলতার পরিবেশ বজায় রাখতে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই উদ্যোগ দেশের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি সরকারের আন্তরিকতা ও শ্রদ্ধার প্রতিফলন। তারা আশা করেন, এর মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার এবং সামাজিক নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৬:২৬:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
২২ বার পড়া হয়েছে

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করলেন- প্রধানমন্ত্রী 

আপডেট সময় ০৬:২৬:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার হিসেবে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ ২০২৬) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান, এমপি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এ সময় বিভিন্ন ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, ইসলামিক চিন্তাবিদ, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ সমাজে নৈতিকতা, শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাদের সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সম্মানী কার্যক্রমের মাধ্যমে ধর্মীয় নেতাদের সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে এবং ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণ এবং সমাজে শান্তি ও সহনশীলতার পরিবেশ বজায় রাখতে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই উদ্যোগ দেশের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি সরকারের আন্তরিকতা ও শ্রদ্ধার প্রতিফলন। তারা আশা করেন, এর মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার এবং সামাজিক নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।