ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
কুসংস্কার ভেঙে কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় পেঁচা: মানুষের কল্যাণে এক নীরব প্রহরী -আবুল কালাম আজাদ ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম তুলির পক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত সিলেটে নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিনে ‘মুশরিকদের’ বিষয়ে সতর্ক করলেন তারেক রহমান আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন: স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এ সিদ্দিক সাজুর প্রথম গণসংযোগ অনুষ্ঠিত বোরো ধানের কুশি বৃদ্ধিতে কার্যকর করণীয় জানালেন কৃষি লেখক সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ ঢাকা-১৬ আসনে মা-বাবার কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হকের শ্রীনগরে গুড়িয়ে দেওয়া অবৈধ সিলভার কারখানা নবাবগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে ঢাকাস্থ ফুলবাড়ী সমিতির মিলনমেলা সম্পন্ন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সপরিবারে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা-১৪ আসনকে আধুনিক ও আদর্শ নগরী গড়ার প্রত্যয়

সিরাজদিখানে ড্রেজিংয়ের রমরমা বানিজ্য, প্রশাসন নিরব!

সিরাজদিখান প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে চলা ইছামতী নদীতে বালুবাহী বাল্কহেডের অবাধ চলাচল লক্ষ করা যাচ্ছে। দিন রাত ২৪ ঘন্টা বালুবাহী এসব বাল্কহেড বোঝাই করে বালু এনে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ফসলী জমি ভরাটের কারণে দিন দিন ফসলি জমির সংখ্যা কমার পাশাপাশি নদীর তীরবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে। জানা যায়,স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী বেশ কয়েকটি সিন্ডিকেট দিন রাত ২৪ ঘন্টা বালুবাহী বাল্কহেড এনে ইছামতী নদীর তীরে নোঙর করে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ফসলি জমি ভরাটসহ বালু মহল তৈরি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। উপজেলার যেসব স্থানে বালু মহল গড়ে তোলা হয়েছে সেসব বালু মহলের বৈধ কোন কাগজ পত্র নেই বললেই চলে। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ড্রেজিংয়ের অবৈধ কর্মযজ্ঞ চলছে অনেকটা জোড়ালো ভাবেই। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার রশুনিয়া, ইছাপুরা, বয়রাগাদী,লতব্দী ও মালখানগর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার জনসাধারণের চলাচলের সরকারী রাস্তার উপর দিয়ে, রাস্তা এপার ওপার করে কেটে ও রাস্তার নিচ দিয়ে বোরিং করে ড্রেজিংয়ের পাইপলাইন স্থাপনের মাধ্যমে অবৈধ ভাবে ফসলি জমি ভরাট করাহচ্ছে। এতে করে একদিকে জনসাধারণের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অন্যদিকে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সরকারী রাস্তার ক্ষতি সাধন করা হচ্ছে। খালে তথা ইছামতি নদীতে বাল্কহেড চলাচল ও ফসলী জমি ভরাটে প্রশাসনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নির্বিঘ্নে ফসলি জমি ভরাটের এমন কর্মযজ্ঞ চলছে অনেকটা জোড়ালো ভাবেই। এদিকে ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় ট্রলার ডুবে সিরাজদিখান উপজেলার ১০ জন নিহত হওয়ার পর খালে বাল্কহেড চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখতে উপজেলা প্রশাসন, নৌ পুলিশ ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) নির্দেশনা দেওয়া হয়। মাঝে প্রায় বছর খানেরও কম সময় বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকলেও প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাত দিন ২৪ ঘন্টা বালু্বাহী বাল্কহেড সিরাজদিখান উপজেলায় প্রবেশ করতে দেখা যাচ্ছে। উপজেলার রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সদস্যরা মিলে ম্যানেজের মাধ্যমে বালু বোঝাই বাল্কহেড সিরাজদিখান উপজেলায় প্রবেশ করাচ্ছেন এমন অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও সিরাজদিখান উপজেলায় বালু বোঝাই বাল্কহেড কি করে প্রবেশ করে এমন প্রশ্নও ছুরছেন অনেকে! এ ব্যপারে সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ বলেন, আমি সরেজমিনে দেখেছি এবং এ ব্যপারে অভিযোগও আছে। শীঘ্রই আমরা অভিযান পরিচালনা করবো।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০১:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অগাস্ট ২০২৪
১৬২ বার পড়া হয়েছে

সিরাজদিখানে ড্রেজিংয়ের রমরমা বানিজ্য, প্রশাসন নিরব!

আপডেট সময় ০১:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অগাস্ট ২০২৪

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে চলা ইছামতী নদীতে বালুবাহী বাল্কহেডের অবাধ চলাচল লক্ষ করা যাচ্ছে। দিন রাত ২৪ ঘন্টা বালুবাহী এসব বাল্কহেড বোঝাই করে বালু এনে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ফসলী জমি ভরাটের কারণে দিন দিন ফসলি জমির সংখ্যা কমার পাশাপাশি নদীর তীরবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে। জানা যায়,স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী বেশ কয়েকটি সিন্ডিকেট দিন রাত ২৪ ঘন্টা বালুবাহী বাল্কহেড এনে ইছামতী নদীর তীরে নোঙর করে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ফসলি জমি ভরাটসহ বালু মহল তৈরি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। উপজেলার যেসব স্থানে বালু মহল গড়ে তোলা হয়েছে সেসব বালু মহলের বৈধ কোন কাগজ পত্র নেই বললেই চলে। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ড্রেজিংয়ের অবৈধ কর্মযজ্ঞ চলছে অনেকটা জোড়ালো ভাবেই। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার রশুনিয়া, ইছাপুরা, বয়রাগাদী,লতব্দী ও মালখানগর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার জনসাধারণের চলাচলের সরকারী রাস্তার উপর দিয়ে, রাস্তা এপার ওপার করে কেটে ও রাস্তার নিচ দিয়ে বোরিং করে ড্রেজিংয়ের পাইপলাইন স্থাপনের মাধ্যমে অবৈধ ভাবে ফসলি জমি ভরাট করাহচ্ছে। এতে করে একদিকে জনসাধারণের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অন্যদিকে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সরকারী রাস্তার ক্ষতি সাধন করা হচ্ছে। খালে তথা ইছামতি নদীতে বাল্কহেড চলাচল ও ফসলী জমি ভরাটে প্রশাসনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নির্বিঘ্নে ফসলি জমি ভরাটের এমন কর্মযজ্ঞ চলছে অনেকটা জোড়ালো ভাবেই। এদিকে ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় ট্রলার ডুবে সিরাজদিখান উপজেলার ১০ জন নিহত হওয়ার পর খালে বাল্কহেড চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখতে উপজেলা প্রশাসন, নৌ পুলিশ ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) নির্দেশনা দেওয়া হয়। মাঝে প্রায় বছর খানেরও কম সময় বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকলেও প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাত দিন ২৪ ঘন্টা বালু্বাহী বাল্কহেড সিরাজদিখান উপজেলায় প্রবেশ করতে দেখা যাচ্ছে। উপজেলার রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সদস্যরা মিলে ম্যানেজের মাধ্যমে বালু বোঝাই বাল্কহেড সিরাজদিখান উপজেলায় প্রবেশ করাচ্ছেন এমন অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও সিরাজদিখান উপজেলায় বালু বোঝাই বাল্কহেড কি করে প্রবেশ করে এমন প্রশ্নও ছুরছেন অনেকে! এ ব্যপারে সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ বলেন, আমি সরেজমিনে দেখেছি এবং এ ব্যপারে অভিযোগও আছে। শীঘ্রই আমরা অভিযান পরিচালনা করবো।