ঢাকা ০২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
চিকিৎসা সেবায় অরবিন্দ শিশু হাসপাতালের ভূমিকা অনন্য : সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, এমপি জাতীয় ম্যাগাজিন ‘মাসিক অগ্নিবার্তা’র ৩২ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন’র শেরে বাংলা নগর থানা কমিটি অনুমোদন ও ছাদ কৃষিতে উৎসাহ সৃষ্টির জন্য বীজ বিতরণ ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদাকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা, অভিযোগ ও প্রত্যাশার মিশ্র প্রতিক্রিয়া নব-যোগদানকৃত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কালুখালী উপজেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে সাশ্রয়ী খাবার: নোয়াবের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে ১৫০ টাকার মধ্যেই লাঞ্চ ও নাস্তা মিরপুরে ময়লা অপসারণে বিশৃঙ্খলা, দখল ও হুমকির অভিযোগে বাড়ছে ভোগান্তি নড়াইলে গরু চুরি মামলার মূল হোতা গ্রেফতার সোলায়মান হক জোয়ারদারের সময়কার প্রভাবের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গায় চিকিৎসক দম্পতিকে ঘিরে বিতর্ক উল্লাপাড়ায় স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ

এলজিইডি প্রকৌশলী আব্দুর রশিদের ক্ষমতার দাপট। সরকারের ৩০০ কোটি টাকার সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর আগারগাঁও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অবৈধ সম্পদ অর্জনকারী অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ মিয়া। তার এই অবৈধ সম্পদের তথ্য দুদক অনুসন্ধান করতে গেলে তাদেরকে অনুসন্ধান করতে না দিয়ে ফাইল বন্দি করে রেখেছেন। তার কারণ হলো রশিদের আত্মীয় দুদুকের সাবেক প্রভাবশালী এক কমিশনারের স্টাফ অফিসার। সেই দাপটে অনুসন্ধান কর্মকর্তার নোটিশটি আমলে নেননি তিনি। দুর্নীতি দমন কমিশন ( দুদুক) অভিযোগ সংশ্লিষ্ট প্রাপ্ত তথ্য ও উপাত্ত যাচাই-বাছাইয়ের কাজের চার দফা তাকে তলব করা হয়েছে । কিন্তু তাতে সাড়া দেননি তিনি । অনুসন্ধান কর্মকর্তা শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে স্থানীয় পুলিশের মাধ্যমে নোটিশ পাঠিয়ে তাকে তলব করেন। তারপরও তিনি দুদুকে হাজির হননি। এর নেপথ্য কারণ অনুসন্ধান কালে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তার আত্মীয় কারণে বাজিমাত করেছেন আব্দুর রশিদ। অর্থাৎ রশিদের আত্মীয় যুগ্ম সচিব পদমর্যাদায় সাবেক একজন কর্মকর্তা। তিনি ছিলেন দুদুকের সাবেক প্রভাবশালী একজন কমিশনারের স্টাফ অফিসার। তার জন্য দাপটে অনুসন্ধান কর্মকর্তার নোটিশ আমলের নেননি তিনি। আত্মীয়র মাধ্যমে দুর্নীতির অনুসন্ধান চলমান থাকার তথ্য গোপন করে রেখেছে আব্দুর রশিদ। বর্তমানে দুদকের কোন অনুসন্ধান বা তদন্ত চলমান নেই। এই আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির খোঁজখবর নিতে গেলে বিভিন্ন লোক দিয়ে তদবির করে থাকেন। এলজিইডি সাধারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তার এই অপকর্মে এবং প্রায় ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির কথা শুনে আশ্চর্য হয়ে যান। এই আব্দুর রশিদ প্রত্যয়ন পত্র নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থেকে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি ও ভাগিয়ে নিয়েছেন একাধিক সূত্রে উল্লেখিত তথ্যগুলি পাওয়া গেছে। বিস্তারিত আসছে,,

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৫:০৮:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
১৪৯ বার পড়া হয়েছে

এলজিইডি প্রকৌশলী আব্দুর রশিদের ক্ষমতার দাপট। সরকারের ৩০০ কোটি টাকার সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৫:০৮:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

রাজধানীর আগারগাঁও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অবৈধ সম্পদ অর্জনকারী অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ মিয়া। তার এই অবৈধ সম্পদের তথ্য দুদক অনুসন্ধান করতে গেলে তাদেরকে অনুসন্ধান করতে না দিয়ে ফাইল বন্দি করে রেখেছেন। তার কারণ হলো রশিদের আত্মীয় দুদুকের সাবেক প্রভাবশালী এক কমিশনারের স্টাফ অফিসার। সেই দাপটে অনুসন্ধান কর্মকর্তার নোটিশটি আমলে নেননি তিনি। দুর্নীতি দমন কমিশন ( দুদুক) অভিযোগ সংশ্লিষ্ট প্রাপ্ত তথ্য ও উপাত্ত যাচাই-বাছাইয়ের কাজের চার দফা তাকে তলব করা হয়েছে । কিন্তু তাতে সাড়া দেননি তিনি । অনুসন্ধান কর্মকর্তা শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে স্থানীয় পুলিশের মাধ্যমে নোটিশ পাঠিয়ে তাকে তলব করেন। তারপরও তিনি দুদুকে হাজির হননি। এর নেপথ্য কারণ অনুসন্ধান কালে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তার আত্মীয় কারণে বাজিমাত করেছেন আব্দুর রশিদ। অর্থাৎ রশিদের আত্মীয় যুগ্ম সচিব পদমর্যাদায় সাবেক একজন কর্মকর্তা। তিনি ছিলেন দুদুকের সাবেক প্রভাবশালী একজন কমিশনারের স্টাফ অফিসার। তার জন্য দাপটে অনুসন্ধান কর্মকর্তার নোটিশ আমলের নেননি তিনি। আত্মীয়র মাধ্যমে দুর্নীতির অনুসন্ধান চলমান থাকার তথ্য গোপন করে রেখেছে আব্দুর রশিদ। বর্তমানে দুদকের কোন অনুসন্ধান বা তদন্ত চলমান নেই। এই আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির খোঁজখবর নিতে গেলে বিভিন্ন লোক দিয়ে তদবির করে থাকেন। এলজিইডি সাধারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তার এই অপকর্মে এবং প্রায় ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির কথা শুনে আশ্চর্য হয়ে যান। এই আব্দুর রশিদ প্রত্যয়ন পত্র নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থেকে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি ও ভাগিয়ে নিয়েছেন একাধিক সূত্রে উল্লেখিত তথ্যগুলি পাওয়া গেছে। বিস্তারিত আসছে,,