ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রেকর্ড পরিমান ভোটের ব্যবধানে রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী হারুন অর রশীদের নিরঙ্কুশ বিজয় কালিয়াকৈরে অপহরণ ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ নগদ টাকা লুট ও প্রাণনাশের হুমকি- থানায় অভিযোগ প্রথমবারের মতো দুই আসনে বিজয়ী বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ৫০ লাখ টাকাসহ বেলাল উদ্দিন প্রধান নামে এক যাত্রী আটক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুরে ২৫৭টি ভোট কেন্দ্র অধিক গুরুত্বপূর্ণ উল্লাপাড়ায় এম. আকবর আলী’র শেষ নির্বাচনী জনসভায় জনতার ঢল ঢাকা–১৭ আসনে নির্বাচনী প্রচারণায়  কড়াইল বস্তিতে ধানের শীষের পক্ষে ৯৯ ভাগ ভোটের আশা শাজাহানের সংসদ নির্বাচন: দূরপাল্লার যানবাহন চলাচলের বিষয়ে যা জানা গেল মনিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির মিছিল ও পথসভায় হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ বহু দিন পর নানি বাড়ী এসে উন্নয়ন করতে ধানের শীষে ভোট চাইলেন তারেক রহমান

রাজশাহী-ঢাকা বাস চলাচল বন্ধ, দূর্ভোগে যাত্রীরা

আবুল হাশেম

রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে শ্রমিকরা। বাসের চালক, সুপারভাইজার ও সহকারির বেতন বৃদ্ধির দাবিতে এই বাস চলাচল বন্ধ আছে। তবে শুধু মাত্র একতা পরিবহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টা থেকে বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে দেওয় হয়। এতে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। তবে কিছু বাস বিকল্প ব্যবস্থায় বাস পরিচালনা করে।

শ্রমিকরা জানান, রাজশাহী-ঢাকা বাসের স্টাফদের বেতন খুব কম। ন্যাশনাল ট্রাভেলস রাজশাহী-ঢাকা যাওয়া আসায় চালকদের প্রতি ট্রিপে বেতন দেয় ১১০০ টাকা। সুপারভাইজারদের দেয় ৫০০ টাকা ও চালকের সহকারিকে দেওয়া হয় ৪০০ টাকা। এছাড়াও দেশ ট্রাভেলসে চালকদের দেওয়া হয় ১২০০ টাকা বেতন। তারা বেতন দুই হাজার টাকা করার দাবি জানিয়েছে।

ন্যাশনাল ট্রাভেলসের চালক আলী হোসেন বলেন, ১০ বছর থেকে আমাদের ১১০০ টাকা করে বেতন দেওয়া হচ্ছে। মালিককে বেতন বাড়ানো হচ্ছে না। এর আগেও আমরা ২৩ আগস্ট শুধু ন্যাশনাল ট্রাভেলস বন্ধ রেখেছিলাম। সে সময় কর্তৃপক্ষ দুইদিনের মধ্যে আমাদের বেতন বৃদ্ধির আশ্বাস দিলে আবারও বাস চালু করা হয়। কিন্তু দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও আগের বেতন দেওয়া হচ্ছে। তাই অন্য সব বাসের শ্রমিকরা আমাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে একতা ট্রান্সপোর্ট বাদে সব বাস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বেতন বৃদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।

এবিষয় নিয়ে কথা বলতে চাইলে দেশ ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপক মাসুদ রানা কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখি বলেন, শ্রমিকরা তাদের বেতন বৃদ্ধির জন্য আন্দোলন করছেন। এর আগে আমরা মালিকদের সঙ্গে বসেছিলাম। মালিকরা ১০০ টাকা বাড়াতে চেয়েছে। কিন্তু তারা মানছে না। বিষয়টি নিয়ে আমরা আবারও মালিকদের সঙ্গে বসবো। তাদের যেন দাবি মানা হয় সেটাও বলবো।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৮:৫৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৫৯ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী-ঢাকা বাস চলাচল বন্ধ, দূর্ভোগে যাত্রীরা

আপডেট সময় ০৮:৫৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে শ্রমিকরা। বাসের চালক, সুপারভাইজার ও সহকারির বেতন বৃদ্ধির দাবিতে এই বাস চলাচল বন্ধ আছে। তবে শুধু মাত্র একতা পরিবহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টা থেকে বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে দেওয় হয়। এতে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। তবে কিছু বাস বিকল্প ব্যবস্থায় বাস পরিচালনা করে।

শ্রমিকরা জানান, রাজশাহী-ঢাকা বাসের স্টাফদের বেতন খুব কম। ন্যাশনাল ট্রাভেলস রাজশাহী-ঢাকা যাওয়া আসায় চালকদের প্রতি ট্রিপে বেতন দেয় ১১০০ টাকা। সুপারভাইজারদের দেয় ৫০০ টাকা ও চালকের সহকারিকে দেওয়া হয় ৪০০ টাকা। এছাড়াও দেশ ট্রাভেলসে চালকদের দেওয়া হয় ১২০০ টাকা বেতন। তারা বেতন দুই হাজার টাকা করার দাবি জানিয়েছে।

ন্যাশনাল ট্রাভেলসের চালক আলী হোসেন বলেন, ১০ বছর থেকে আমাদের ১১০০ টাকা করে বেতন দেওয়া হচ্ছে। মালিককে বেতন বাড়ানো হচ্ছে না। এর আগেও আমরা ২৩ আগস্ট শুধু ন্যাশনাল ট্রাভেলস বন্ধ রেখেছিলাম। সে সময় কর্তৃপক্ষ দুইদিনের মধ্যে আমাদের বেতন বৃদ্ধির আশ্বাস দিলে আবারও বাস চালু করা হয়। কিন্তু দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও আগের বেতন দেওয়া হচ্ছে। তাই অন্য সব বাসের শ্রমিকরা আমাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে একতা ট্রান্সপোর্ট বাদে সব বাস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বেতন বৃদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।

এবিষয় নিয়ে কথা বলতে চাইলে দেশ ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপক মাসুদ রানা কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখি বলেন, শ্রমিকরা তাদের বেতন বৃদ্ধির জন্য আন্দোলন করছেন। এর আগে আমরা মালিকদের সঙ্গে বসেছিলাম। মালিকরা ১০০ টাকা বাড়াতে চেয়েছে। কিন্তু তারা মানছে না। বিষয়টি নিয়ে আমরা আবারও মালিকদের সঙ্গে বসবো। তাদের যেন দাবি মানা হয় সেটাও বলবো।