ঢাকা ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সিরাজদিখানে অপকর্ম ধামাচাপা দিতে প্রেমিকের বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা মামলার অভিযোগ ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনের ফাটল ধরা অংশ সরাতে গিয়ে মাচা ধস” নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র নির্বাচিত হলেন- মাহদী আমিন ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন, কৃষকের ফসলহানি খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিরপুর থানা যুবদলের দোয়া মোনাজাত নবাবগঞ্জে যুবদল নেতার ওপর হামলা থানায় অভিযোগ বোরো মৌসুমে জমিতে লাইন বা সারি করে ধান রোপণের গুরুত্ব  উল্লাপাড়ায় বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল খালেদা জিয়া ও শহীদ জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় ঢাকা-১৪ আসনে দোয়া ও মোনাজাত দিনাজপুরে শীত মৌসুমে বাহারি পিঠার উৎসব : ভাগ্য ফিরেছে অনেকের

উল্লাপাড়ায় উন্নয়নের রূপকার এম আকবর আলী: সাফল্যের ধারাবাহিকতা ও আগামীর প্রতিশ্রুতি

এ কে আজাদ (উল্লাপাড়া) সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার রাজনীতি, উন্নয়ন ও জনকল্যাণের পরিচিত মুখ এম আকবর আলী।বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং জেলা সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে তিনি আজও এলাকাবাসীর আস্থা অর্জন করে রেখেছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি মাঠে নেমেছেন নতুন উদ্যম নিয়ে।

সততা ও জনসেবায় প্রতিষ্ঠিত নেতৃত্ব,১৯৯১ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উল্লাপাড়া থেকে নির্বাচিত হয়ে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন এম আকবর আলী। দায়িত্ব পালনকালে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ তাঁর রাজনৈতিক জীবনে লাগেনি, যা তাঁকে উল্লাপাড়ার জনগণের কাছে একজন পরিচ্ছন্ন, নীতিবান ও গ্রহণযোগ্য রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

নেতা কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও তাঁর জনপ্রিয়তা ব্যাপক। উল্লাপাড়ায় তাঁর আগমনে মানুষের ঢল স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রমাণ করে, বিএনপির রাজনীতিতে এখনও তাঁর বিকল্প তৈরি হয়নি। তিনি যখন নির্বাচিত ছিলেন তার উন্নয়নের কিছু চিত্র তুলে ধরা হলো।

উন্নয়নের বৃহৎ চিত্র

১. শিক্ষা খাতে বিপ্লব

শিক্ষাকে আলোকিত সমাজের ভিত্তি ধরে এম আকবর আলী উল্লাপাড়ায় একাধিক মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন।

উল্লাপাড়া সরকারি আকবর আলী কলেজ

উল্লাপাড়া বিজ্ঞান কলেজ

মোমেনা আলী বিজ্ঞান স্কুল

বড়হর স্কুল অ্যান্ড কলেজ

এছাড়া উপজেলার বহু স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার নতুন ভবন নির্মাণ, সংস্কার এবং সব ধরনের শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এ কারণেই তাঁকে উল্লাপাড়ার শিক্ষানগরী গড়ার রূপকার বলা হয়।

২. যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়ন

উপজেলাজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন তাঁর উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব।নতুন রাস্তা নির্মাণ,পুরোনো রাস্তার পুনর্নির্মাণ ও পাকাকরণ,খাল–নদীর ওপর অসংখ্য ব্রিজ–কালভার্ট নির্মাণ ৮টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণশিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) প্রতিষ্ঠা ৭টি আদর্শ গ্রাম নির্মাণ।

এমন সমন্বিত উন্নয়ন উল্লাপাড়াকে আধুনিক কৃষিনির্ভর ও যোগাযোগ–সমৃদ্ধ উপজেলায় পরিণত করেছে।

৩. স্বাস্থ্য, সেবা ও বিদ্যুৎ খাতে অবদান

উপজেলার মানুষের মৌলিক সেবা নিশ্চিতেও তাঁর অবদান প্রশংসনীয়, উল্লাপাড়া শহরে ২০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ ও পরবর্তীতে ৩০ শয্যায় উন্নীত করা, উল্লাপাড়া ইউনিয়নকে পৌরসভায় উন্নীত করা।পৌর এলাকায় গ্যাস সরবরাহ ১৪১টি গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান আধুনিক বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র স্থাপন।

আগামীর প্রতিশ্রুতি: উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এম আকবর আলী যে উন্নয়ন–দৃষ্টি তুলে ধরেছেন, তা সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আশাবাদ সৃষ্টি করেছে। তাঁর ঘোষিত পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে

শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন

উল্লাপাড়া সরকারি আকবর আলী কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে উন্নীতকরণ।

নার্সিং ইনস্টিটিউট স্থাপন, আধুনিক কারিগরি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণ,১৪টি ইউনিয়নে আরও নতুন কলেজ প্রতিষ্ঠা, অবকাঠামো ও সেবার আধুনিকায়ন নতুন সড়ক নির্মাণ ও গ্রামীণ যোগাযোগ উন্নয়ন স্বাস্থ্যসেবায় আধুনিক সুবিধা সংযোজন, কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন।

জনসেবামূলক কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি, শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা তিনি ঘোষণা করেছেন,“উল্লাপাড়াকে সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজিমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ জনপদে রূপান্তর করাই হবে আমার বড় চ্যালেঞ্জ।”

এই প্রতিশ্রুতিগুলো এলাকায় ইতোমধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনিত হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এম আকবর আলী মাঠে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অতীতের উন্নয়ন, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা, রাজনৈতিক সততা ও আগামীর সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তাঁকে আবারও উল্লাপাড়ার আস্থা–ভরসার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরছে।

স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস, উন্নয়ন ও জনকল্যাণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এম আকবর আলীই হবেন তাদের প্রথম পছন্দ।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৪:২৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
৩৬ বার পড়া হয়েছে

উল্লাপাড়ায় উন্নয়নের রূপকার এম আকবর আলী: সাফল্যের ধারাবাহিকতা ও আগামীর প্রতিশ্রুতি

আপডেট সময় ০৪:২৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার রাজনীতি, উন্নয়ন ও জনকল্যাণের পরিচিত মুখ এম আকবর আলী।বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং জেলা সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে তিনি আজও এলাকাবাসীর আস্থা অর্জন করে রেখেছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি মাঠে নেমেছেন নতুন উদ্যম নিয়ে।

সততা ও জনসেবায় প্রতিষ্ঠিত নেতৃত্ব,১৯৯১ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উল্লাপাড়া থেকে নির্বাচিত হয়ে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন এম আকবর আলী। দায়িত্ব পালনকালে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ তাঁর রাজনৈতিক জীবনে লাগেনি, যা তাঁকে উল্লাপাড়ার জনগণের কাছে একজন পরিচ্ছন্ন, নীতিবান ও গ্রহণযোগ্য রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

নেতা কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও তাঁর জনপ্রিয়তা ব্যাপক। উল্লাপাড়ায় তাঁর আগমনে মানুষের ঢল স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রমাণ করে, বিএনপির রাজনীতিতে এখনও তাঁর বিকল্প তৈরি হয়নি। তিনি যখন নির্বাচিত ছিলেন তার উন্নয়নের কিছু চিত্র তুলে ধরা হলো।

উন্নয়নের বৃহৎ চিত্র

১. শিক্ষা খাতে বিপ্লব

শিক্ষাকে আলোকিত সমাজের ভিত্তি ধরে এম আকবর আলী উল্লাপাড়ায় একাধিক মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন।

উল্লাপাড়া সরকারি আকবর আলী কলেজ

উল্লাপাড়া বিজ্ঞান কলেজ

মোমেনা আলী বিজ্ঞান স্কুল

বড়হর স্কুল অ্যান্ড কলেজ

এছাড়া উপজেলার বহু স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার নতুন ভবন নির্মাণ, সংস্কার এবং সব ধরনের শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এ কারণেই তাঁকে উল্লাপাড়ার শিক্ষানগরী গড়ার রূপকার বলা হয়।

২. যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়ন

উপজেলাজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন তাঁর উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব।নতুন রাস্তা নির্মাণ,পুরোনো রাস্তার পুনর্নির্মাণ ও পাকাকরণ,খাল–নদীর ওপর অসংখ্য ব্রিজ–কালভার্ট নির্মাণ ৮টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণশিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) প্রতিষ্ঠা ৭টি আদর্শ গ্রাম নির্মাণ।

এমন সমন্বিত উন্নয়ন উল্লাপাড়াকে আধুনিক কৃষিনির্ভর ও যোগাযোগ–সমৃদ্ধ উপজেলায় পরিণত করেছে।

৩. স্বাস্থ্য, সেবা ও বিদ্যুৎ খাতে অবদান

উপজেলার মানুষের মৌলিক সেবা নিশ্চিতেও তাঁর অবদান প্রশংসনীয়, উল্লাপাড়া শহরে ২০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ ও পরবর্তীতে ৩০ শয্যায় উন্নীত করা, উল্লাপাড়া ইউনিয়নকে পৌরসভায় উন্নীত করা।পৌর এলাকায় গ্যাস সরবরাহ ১৪১টি গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান আধুনিক বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র স্থাপন।

আগামীর প্রতিশ্রুতি: উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এম আকবর আলী যে উন্নয়ন–দৃষ্টি তুলে ধরেছেন, তা সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আশাবাদ সৃষ্টি করেছে। তাঁর ঘোষিত পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে

শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন

উল্লাপাড়া সরকারি আকবর আলী কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে উন্নীতকরণ।

নার্সিং ইনস্টিটিউট স্থাপন, আধুনিক কারিগরি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণ,১৪টি ইউনিয়নে আরও নতুন কলেজ প্রতিষ্ঠা, অবকাঠামো ও সেবার আধুনিকায়ন নতুন সড়ক নির্মাণ ও গ্রামীণ যোগাযোগ উন্নয়ন স্বাস্থ্যসেবায় আধুনিক সুবিধা সংযোজন, কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন।

জনসেবামূলক কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি, শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা তিনি ঘোষণা করেছেন,“উল্লাপাড়াকে সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজিমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ জনপদে রূপান্তর করাই হবে আমার বড় চ্যালেঞ্জ।”

এই প্রতিশ্রুতিগুলো এলাকায় ইতোমধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনিত হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এম আকবর আলী মাঠে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অতীতের উন্নয়ন, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা, রাজনৈতিক সততা ও আগামীর সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তাঁকে আবারও উল্লাপাড়ার আস্থা–ভরসার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরছে।

স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস, উন্নয়ন ও জনকল্যাণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এম আকবর আলীই হবেন তাদের প্রথম পছন্দ।