ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
কালুখালী প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানবিক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন নির্বাচনী এলাকায় সফরে এসে রোগিদের সেবা দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মিরপুরে যুবনেতা বাবুল মোল্লার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, প্রয়াত জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার জন্য রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য’র সাথে কালুখালী উপজেলায় কর্মরত সকল সরকারি দপ্তরের প্রধানদের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা মিরপুরে মাসব্যাপী ইফতার মাহফিলের আয়োজন, যুবদল নেতা আমিনুর রহমান শান্তর উদ্যোগে প্রশংসার জোয়ার চড়াই–উতরাই পেরিয়ে পুলিশের শীর্ষে: এপিবিএন প্রধান মো. আলী হোসেন ফকির নতুন আইজিপি মুকুলে সোনালি স্বপ্ন: রাজশাহীতে বাম্পার আম ফলনের আভাস বাংলাদেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরীর নিয়োগ, বিভিন্ন মহলের অভিনন্দন ডিএনসিসির নবনিযুক্ত প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে মিরপুর থানা যুবদলের ফুলেল শুভেচ্ছা

বগুড়া-৬ আসন ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তরুণ নেতৃত্ব চায় জেলায় নতুন সমীকরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বহুল আলোচিত বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় জেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য উপনির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে।
জেলার একটি বড় অংশ মনে করছে, বগুড়া-৬ ঐতিহাসিকভাবে জিয়া পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। তাই অনেকে চান, আসনটি জিয়া পরিবারের মধ্যেই থাকুক। তবে দলীয় সিদ্ধান্তে যদি পরিবারের বাইরে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তাহলে শিক্ষিত, সৎ ও তৃণমূলভিত্তিক তরুণ নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি উঠেছে।

স্থানীয়রা অতীতের উদাহরণ টেনে বলেন, ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই আসন থেকে দেশের সর্বকনিষ্ঠ এমপি হিসেবে এস.এম. ফারুককে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বগুড়া জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা কমান্ডার। তার রাজনৈতিক অবদান এখনও জেলায় স্মরণীয় হয়ে আছে।
তারই ধারাবাহিকতায় তার বড় ছেলে সৈয়দ ওয়ায়েজ করণী আকাশ বর্তমানে রাজনীতিতে সক্রিয়। ছাত্রদল থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতা ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে বগুড়া জেলা যুবদলের গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন। দলীয় আন্দোলন-সংগ্রাম ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয় তরুণদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

জেলার তরুণ প্রজন্মের অনেকেই মনে করছেন, আসন্ন উপনির্বাচনে যদি জিয়া পরিবারের বাইরে প্রার্থী দেওয়া হয়, তাহলে এমন কাউকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত যিনি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন।
বগুড়া-৬ আসনে সম্ভাব্য উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন অপেক্ষা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের। দলীয় মনোনয়ন ঘিরে জেলায় উত্তেজনা ও প্রত্যাশা দুটিই বাড়ছে।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ১১:২১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
২৪ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া-৬ আসন ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তরুণ নেতৃত্ব চায় জেলায় নতুন সমীকরণ

আপডেট সময় ১১:২১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বহুল আলোচিত বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় জেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য উপনির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে।
জেলার একটি বড় অংশ মনে করছে, বগুড়া-৬ ঐতিহাসিকভাবে জিয়া পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। তাই অনেকে চান, আসনটি জিয়া পরিবারের মধ্যেই থাকুক। তবে দলীয় সিদ্ধান্তে যদি পরিবারের বাইরে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তাহলে শিক্ষিত, সৎ ও তৃণমূলভিত্তিক তরুণ নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি উঠেছে।

স্থানীয়রা অতীতের উদাহরণ টেনে বলেন, ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই আসন থেকে দেশের সর্বকনিষ্ঠ এমপি হিসেবে এস.এম. ফারুককে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বগুড়া জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা কমান্ডার। তার রাজনৈতিক অবদান এখনও জেলায় স্মরণীয় হয়ে আছে।
তারই ধারাবাহিকতায় তার বড় ছেলে সৈয়দ ওয়ায়েজ করণী আকাশ বর্তমানে রাজনীতিতে সক্রিয়। ছাত্রদল থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতা ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে বগুড়া জেলা যুবদলের গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন। দলীয় আন্দোলন-সংগ্রাম ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয় তরুণদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

জেলার তরুণ প্রজন্মের অনেকেই মনে করছেন, আসন্ন উপনির্বাচনে যদি জিয়া পরিবারের বাইরে প্রার্থী দেওয়া হয়, তাহলে এমন কাউকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত যিনি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন।
বগুড়া-৬ আসনে সম্ভাব্য উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন অপেক্ষা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের। দলীয় মনোনয়ন ঘিরে জেলায় উত্তেজনা ও প্রত্যাশা দুটিই বাড়ছে।