ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সোলায়মান হক জোয়ারদারের সময়কার প্রভাবের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গায় চিকিৎসক দম্পতিকে ঘিরে বিতর্ক উল্লাপাড়ায় স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মানবিক উন্নয়নের সমন্বয়ে টেকসই সমাজ গঠনের আহ্বান পেশাজীবীদের পহেলা বৈশাখে মিরপুরে পান্তা-ভাতের আয়োজন বাবুল মোল্লার উদ্যোগে পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী -তারেক রহমান বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর প্রার্থী আমিনুর রহমান শান্ত বিতর্কিত আলী আফজালের নেতৃত্বে রিহ্যাব দখলের অভিযোগ, উদ্বেগ সংশ্লিষ্ট মহলে ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে দিনাজপুরে জিরো পয়েন্ট দৌড়ে ইতিহাস গড়লেন তরুণ অ্যাথলেট সাকিব উৎসবমুখর পরিবেশে ফুলকুঁড়ি বিদ্যানিকেতনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ উপনির্বাচন: দুই আসনেই বিএনপির বড় জয়

এলাকাবাসী–কমিটির গঠনমূলক আলোচনায় মিরপুর পল্লবীর ডি ব্লক ঈদগাহ মাঠ

শিব-বি শিহাব

পল্লবীর ডি ব্লক ঈদগাহ মাঠে দেয়াল নির্মাণের প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী ও মাঠ ব্যবস্থাপনা কমিটির মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা চলছে। মাঠের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এ বিষয়টি এখন সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।

স্থানীয় ১০ জন বাসিন্দা এবং দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই মাঠকে উন্মুক্ত রাখার পক্ষপাতী তাদের মত, উন্মুক্ত মাঠ এলাকায় সবার জন্য খেলাধুলা ও বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত করে। চাঁদা নেয়ার কথা জিজ্ঞেস করলে তারা জানায়:কেউ তাদের কাছ থেকে চাঁদা নেয় না,৫ই আগস্টের পর মাঠে কেউ চাঁদা উঠায়নি।

অন্যদিকে, মাঠ কমিটির কিছু সদস্য মাঠের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের স্বার্থে সীমিত আকারে দেয়াল নির্মাণের পক্ষে মত দিয়েছেন। কমিটির নেতা সাজ্জাদ হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আকিল আহমেদ জানান—ঢাকার জেলা প্রশাসন মাঠের জন্য কিছু বরাদ্দ দিয়েছে, এবং সঠিক পরিকল্পনা অনুযায়ী উন্নয়ন হলে মাঠ আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ হবে।

মাঠে দোকান বসিয়ে কেউ চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মাঠ কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আকিল আহমেদ তা স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেন।
“আমি এবং আমাদের কমিটির কেউ এসবে নেই,৫ই আগস্টের পরে মাঠে কেউ চাঁদাবাজি করে নাই,যদি আমি বা আমাদের এমন কোনও কর্মকান্ড কেউ প্রমাণ করতে পারে তাহলে যে কোনও শাস্তি মেনে নিবো আমরা,আমাদের কাউন্সিলরকেও জড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে”—মন্তব্য করেন তিনি।

কাউন্সিলর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “মাঠ উন্নয়নের জন্য প্রশাসনের কিছু নির্দেশনা আছে। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে মাঠকে আরও আধুনিক ও ব্যবহারের উপযোগী করা হবে।”

তবে দেয়াল হলে দোকান বসানো বা খেলাধুলার সুযোগ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগও গুরুত্ব পেয়েছে। তারা চান মাঠটি যেন সব বয়সী মানুষের জন্য উন্মুক্ত ও সহজলভ্য থাকে।

ডি ব্লক ঈদগাহ মাঠের ভবিষ্যৎ এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট এলাকাবাসী ও মাঠ কমিটি দুপক্ষই মাঠের উন্নয়ন ও সুষ্ঠু ব্যবহারের পক্ষে, আর তারা চান—মাঠটি যেন এলাকার মানুষদের জন্য একটি প্রাণবন্ত মিলনস্থল হয়ে থাকে।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৮:২২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
১০২ বার পড়া হয়েছে

এলাকাবাসী–কমিটির গঠনমূলক আলোচনায় মিরপুর পল্লবীর ডি ব্লক ঈদগাহ মাঠ

আপডেট সময় ০৮:২২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

পল্লবীর ডি ব্লক ঈদগাহ মাঠে দেয়াল নির্মাণের প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী ও মাঠ ব্যবস্থাপনা কমিটির মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা চলছে। মাঠের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এ বিষয়টি এখন সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।

স্থানীয় ১০ জন বাসিন্দা এবং দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই মাঠকে উন্মুক্ত রাখার পক্ষপাতী তাদের মত, উন্মুক্ত মাঠ এলাকায় সবার জন্য খেলাধুলা ও বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত করে। চাঁদা নেয়ার কথা জিজ্ঞেস করলে তারা জানায়:কেউ তাদের কাছ থেকে চাঁদা নেয় না,৫ই আগস্টের পর মাঠে কেউ চাঁদা উঠায়নি।

অন্যদিকে, মাঠ কমিটির কিছু সদস্য মাঠের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের স্বার্থে সীমিত আকারে দেয়াল নির্মাণের পক্ষে মত দিয়েছেন। কমিটির নেতা সাজ্জাদ হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আকিল আহমেদ জানান—ঢাকার জেলা প্রশাসন মাঠের জন্য কিছু বরাদ্দ দিয়েছে, এবং সঠিক পরিকল্পনা অনুযায়ী উন্নয়ন হলে মাঠ আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ হবে।

মাঠে দোকান বসিয়ে কেউ চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মাঠ কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আকিল আহমেদ তা স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেন।
“আমি এবং আমাদের কমিটির কেউ এসবে নেই,৫ই আগস্টের পরে মাঠে কেউ চাঁদাবাজি করে নাই,যদি আমি বা আমাদের এমন কোনও কর্মকান্ড কেউ প্রমাণ করতে পারে তাহলে যে কোনও শাস্তি মেনে নিবো আমরা,আমাদের কাউন্সিলরকেও জড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে”—মন্তব্য করেন তিনি।

কাউন্সিলর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “মাঠ উন্নয়নের জন্য প্রশাসনের কিছু নির্দেশনা আছে। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে মাঠকে আরও আধুনিক ও ব্যবহারের উপযোগী করা হবে।”

তবে দেয়াল হলে দোকান বসানো বা খেলাধুলার সুযোগ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগও গুরুত্ব পেয়েছে। তারা চান মাঠটি যেন সব বয়সী মানুষের জন্য উন্মুক্ত ও সহজলভ্য থাকে।

ডি ব্লক ঈদগাহ মাঠের ভবিষ্যৎ এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট এলাকাবাসী ও মাঠ কমিটি দুপক্ষই মাঠের উন্নয়ন ও সুষ্ঠু ব্যবহারের পক্ষে, আর তারা চান—মাঠটি যেন এলাকার মানুষদের জন্য একটি প্রাণবন্ত মিলনস্থল হয়ে থাকে।