ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সোলায়মান হক জোয়ারদারের সময়কার প্রভাবের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গায় চিকিৎসক দম্পতিকে ঘিরে বিতর্ক উল্লাপাড়ায় স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মানবিক উন্নয়নের সমন্বয়ে টেকসই সমাজ গঠনের আহ্বান পেশাজীবীদের পহেলা বৈশাখে মিরপুরে পান্তা-ভাতের আয়োজন বাবুল মোল্লার উদ্যোগে পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী -তারেক রহমান বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর প্রার্থী আমিনুর রহমান শান্ত বিতর্কিত আলী আফজালের নেতৃত্বে রিহ্যাব দখলের অভিযোগ, উদ্বেগ সংশ্লিষ্ট মহলে ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে দিনাজপুরে জিরো পয়েন্ট দৌড়ে ইতিহাস গড়লেন তরুণ অ্যাথলেট সাকিব উৎসবমুখর পরিবেশে ফুলকুঁড়ি বিদ্যানিকেতনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ উপনির্বাচন: দুই আসনেই বিএনপির বড় জয়

কেশবপুর জনতা ব্যাংক ভবনে অগ্নিকাণ্ড, দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে,

মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু (কেশবপুর) যশোর

যশোরের কেশবপুর পৌর শহরের জনতা ব্যাংক ভবনের চারতলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুর আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটে হঠাৎ ভবনের উপরের তলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আশপাশের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যান।
খবর পেয়ে  ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর কেশবপুর স্টেশনের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। স্টেশন কমান্ডার জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি দক্ষ টিম প্রায় দুই ঘণ্টার নিরলস প্রচেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তাদের দ্রুত পদক্ষেপ ও পেশাদারিত্বের কারণে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সদস্যরাও দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জনসাধারণকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া এবং উদ্ধার কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পাশাপাশি গ্রাম্য পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন এবং ফায়ার সার্ভিসের কাজে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

ঘটনাস্থলে সাংবাদিক,জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকার পেশাজীবী মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি একে আজাদ ইকতিয়ার, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর মিন্টু, জুয়েন সেক্রেটারি রবিউল ইসলাম,সালাম মুর্শিদি, মাসুম সহ কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের অনেক সাংবাদিক অবস্থা ছিলেন, সাধারণ জনগণও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসে পানি সরবরাহ, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা করেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভবনের চারতলার রান্নাঘর থেকে বিদ্যুৎ শর্ট সার্কিট অথবা গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। ভবনের মালিকের সঙ্গে কথা বললে তিনি আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু জানাতে পারেননি।
এ ঘটনায় আনুমানিক ২ লক্ষ টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
সৌভাগ্যক্রমে অগ্নিকাণ্ডে কোনো প্রাণহানি বা আহতের ঘটনা ঘটেনি। ভবনের ভেতরে কেউ আটকে পড়েননি এবং জনসাধারণেরও কোনো ক্ষতি হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ প্রশাসন, গ্রাম্য পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে কেশবপুর। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৫:৫৭:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
২৯ বার পড়া হয়েছে

কেশবপুর জনতা ব্যাংক ভবনে অগ্নিকাণ্ড, দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে,

আপডেট সময় ০৫:৫৭:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

যশোরের কেশবপুর পৌর শহরের জনতা ব্যাংক ভবনের চারতলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুর আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটে হঠাৎ ভবনের উপরের তলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আশপাশের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যান।
খবর পেয়ে  ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর কেশবপুর স্টেশনের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। স্টেশন কমান্ডার জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি দক্ষ টিম প্রায় দুই ঘণ্টার নিরলস প্রচেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তাদের দ্রুত পদক্ষেপ ও পেশাদারিত্বের কারণে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সদস্যরাও দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জনসাধারণকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া এবং উদ্ধার কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পাশাপাশি গ্রাম্য পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন এবং ফায়ার সার্ভিসের কাজে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

ঘটনাস্থলে সাংবাদিক,জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকার পেশাজীবী মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি একে আজাদ ইকতিয়ার, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর মিন্টু, জুয়েন সেক্রেটারি রবিউল ইসলাম,সালাম মুর্শিদি, মাসুম সহ কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের অনেক সাংবাদিক অবস্থা ছিলেন, সাধারণ জনগণও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসে পানি সরবরাহ, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা করেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভবনের চারতলার রান্নাঘর থেকে বিদ্যুৎ শর্ট সার্কিট অথবা গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। ভবনের মালিকের সঙ্গে কথা বললে তিনি আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু জানাতে পারেননি।
এ ঘটনায় আনুমানিক ২ লক্ষ টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
সৌভাগ্যক্রমে অগ্নিকাণ্ডে কোনো প্রাণহানি বা আহতের ঘটনা ঘটেনি। ভবনের ভেতরে কেউ আটকে পড়েননি এবং জনসাধারণেরও কোনো ক্ষতি হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ প্রশাসন, গ্রাম্য পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে কেশবপুর। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে