ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ভিআইপি প্রটোকল ছাড়া সাধারণ সিগন্যাল মেনে চলায় রাজধানীতে যানবাহনের গতি বেড়েছে: অতিরিক্ত প্রেস সচিব রমজানজুড়ে ইফতার বিতরণ: মিরপুরে প্রশংসায় ভাসছেন আমিনুর রহমান শান্ত জাতীয় প্রেসক্লাবে ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস ফোরামের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিরামপুরে সেটেলমেন্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভুয়া রেকর্ড দিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে চিফ হুইপসহ ছয় হুইপ নিয়োগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও হুইপ পদে নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে উল্লাপাড়ায় সংরক্ষিত নারী আসনের গণদাবি জোরালো দলীয় গতিশীলতা ও জনউন্নয়ন ত্বরান্বিত করার প্রত্যাশা প্যারিস খাল পরিদর্শনে ডিএনসিসি প্রশাসক: বর্ষার আগেই খনন–পরিষ্কারে জোর, দখলমুক্তে আইনগত পদক্ষেপের ঘোষণা কালুখালীতে নবাব ফ্যাশন হাউসের শুভ উদ্বোধন, ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত মিরপুরে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত যুবদল নেতা আমিনুর রহমান শান্তর ইফতার কর্মসূচির ১১তম দিনেও সুশৃঙ্খল আয়োজন দিনাজপুরে চঞ্চল্যকর শিশু হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামীর স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি

রাজসিক প্রত্যাবর্তনে ইতিহাসের সাক্ষী দেশ

এস এম জীবন

  রাজসিক প্রত্যাবর্তনে ইতিহাসের সাক্ষী দেশ
  লাখো লাখো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে নিরাপদ       বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার তারেক রহমানের।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায়ের সূচনা হলো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজসিক প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে। এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো নেতাকর্মী ও সমর্থকের ঢল নামে, যা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
দলীয় নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস, স্লোগান ও পতাকার ঢেউয়ে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন শুধু দলীয় রাজনীতিতেই নয়, বরং জাতীয় রাজনীতিতেও নতুন গতি সঞ্চার করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সমাবেশের মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, “আমি ক্ষমতার রাজনীতি নয়, জনগণের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে দেশে ফিরেছি।” তিনি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ ভয়মুক্ত পরিবেশে বসবাস করতে চায়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং তরুণ সমাজকে রাষ্ট্রগঠনে সম্পৃক্ত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
বক্তব্যে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আন্দোলনের আহ্বান জানান এবং জনগণের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেন।
লাখো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের মতে, তারেক রহমানের এই রাজসিক প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা এবং ভবিষ্যৎ আন্দোলনের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করল।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৩:৩২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
৪৭ বার পড়া হয়েছে

রাজসিক প্রত্যাবর্তনে ইতিহাসের সাক্ষী দেশ

আপডেট সময় ০৩:৩২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

  রাজসিক প্রত্যাবর্তনে ইতিহাসের সাক্ষী দেশ
  লাখো লাখো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে নিরাপদ       বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার তারেক রহমানের।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায়ের সূচনা হলো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজসিক প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে। এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো নেতাকর্মী ও সমর্থকের ঢল নামে, যা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
দলীয় নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস, স্লোগান ও পতাকার ঢেউয়ে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন শুধু দলীয় রাজনীতিতেই নয়, বরং জাতীয় রাজনীতিতেও নতুন গতি সঞ্চার করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সমাবেশের মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, “আমি ক্ষমতার রাজনীতি নয়, জনগণের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে দেশে ফিরেছি।” তিনি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ ভয়মুক্ত পরিবেশে বসবাস করতে চায়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং তরুণ সমাজকে রাষ্ট্রগঠনে সম্পৃক্ত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
বক্তব্যে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আন্দোলনের আহ্বান জানান এবং জনগণের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেন।
লাখো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের মতে, তারেক রহমানের এই রাজসিক প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা এবং ভবিষ্যৎ আন্দোলনের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করল।