ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন’র শেরে বাংলা নগর থানা কমিটি অনুমোদন ও ছাদ কৃষিতে উৎসাহ সৃষ্টির জন্য বীজ বিতরণ ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদাকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা, অভিযোগ ও প্রত্যাশার মিশ্র প্রতিক্রিয়া নব-যোগদানকৃত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কালুখালী উপজেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে সাশ্রয়ী খাবার: নোয়াবের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে ১৫০ টাকার মধ্যেই লাঞ্চ ও নাস্তা মিরপুরে ময়লা অপসারণে বিশৃঙ্খলা, দখল ও হুমকির অভিযোগে বাড়ছে ভোগান্তি নড়াইলে গরু চুরি মামলার মূল হোতা গ্রেফতার সোলায়মান হক জোয়ারদারের সময়কার প্রভাবের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গায় চিকিৎসক দম্পতিকে ঘিরে বিতর্ক উল্লাপাড়ায় স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মানবিক উন্নয়নের সমন্বয়ে টেকসই সমাজ গঠনের আহ্বান পেশাজীবীদের পহেলা বৈশাখে মিরপুরে পান্তা-ভাতের আয়োজন বাবুল মোল্লার উদ্যোগে

রাজসিক প্রত্যাবর্তনে ইতিহাসের সাক্ষী দেশ

এস এম জীবন

  রাজসিক প্রত্যাবর্তনে ইতিহাসের সাক্ষী দেশ
  লাখো লাখো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে নিরাপদ       বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার তারেক রহমানের।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায়ের সূচনা হলো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজসিক প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে। এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো নেতাকর্মী ও সমর্থকের ঢল নামে, যা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
দলীয় নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস, স্লোগান ও পতাকার ঢেউয়ে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন শুধু দলীয় রাজনীতিতেই নয়, বরং জাতীয় রাজনীতিতেও নতুন গতি সঞ্চার করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সমাবেশের মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, “আমি ক্ষমতার রাজনীতি নয়, জনগণের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে দেশে ফিরেছি।” তিনি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ ভয়মুক্ত পরিবেশে বসবাস করতে চায়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং তরুণ সমাজকে রাষ্ট্রগঠনে সম্পৃক্ত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
বক্তব্যে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আন্দোলনের আহ্বান জানান এবং জনগণের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেন।
লাখো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের মতে, তারেক রহমানের এই রাজসিক প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা এবং ভবিষ্যৎ আন্দোলনের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করল।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৩:৩২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
৭৮ বার পড়া হয়েছে

রাজসিক প্রত্যাবর্তনে ইতিহাসের সাক্ষী দেশ

আপডেট সময় ০৩:৩২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

  রাজসিক প্রত্যাবর্তনে ইতিহাসের সাক্ষী দেশ
  লাখো লাখো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে নিরাপদ       বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার তারেক রহমানের।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায়ের সূচনা হলো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজসিক প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে। এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো নেতাকর্মী ও সমর্থকের ঢল নামে, যা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
দলীয় নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস, স্লোগান ও পতাকার ঢেউয়ে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন শুধু দলীয় রাজনীতিতেই নয়, বরং জাতীয় রাজনীতিতেও নতুন গতি সঞ্চার করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সমাবেশের মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, “আমি ক্ষমতার রাজনীতি নয়, জনগণের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে দেশে ফিরেছি।” তিনি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ ভয়মুক্ত পরিবেশে বসবাস করতে চায়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং তরুণ সমাজকে রাষ্ট্রগঠনে সম্পৃক্ত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
বক্তব্যে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আন্দোলনের আহ্বান জানান এবং জনগণের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেন।
লাখো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের মতে, তারেক রহমানের এই রাজসিক প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা এবং ভবিষ্যৎ আন্দোলনের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করল।