ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সোলায়মান হক জোয়ারদারের সময়কার প্রভাবের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গায় চিকিৎসক দম্পতিকে ঘিরে বিতর্ক উল্লাপাড়ায় স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মানবিক উন্নয়নের সমন্বয়ে টেকসই সমাজ গঠনের আহ্বান পেশাজীবীদের পহেলা বৈশাখে মিরপুরে পান্তা-ভাতের আয়োজন বাবুল মোল্লার উদ্যোগে পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী -তারেক রহমান বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর প্রার্থী আমিনুর রহমান শান্ত বিতর্কিত আলী আফজালের নেতৃত্বে রিহ্যাব দখলের অভিযোগ, উদ্বেগ সংশ্লিষ্ট মহলে ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে দিনাজপুরে জিরো পয়েন্ট দৌড়ে ইতিহাস গড়লেন তরুণ অ্যাথলেট সাকিব উৎসবমুখর পরিবেশে ফুলকুঁড়ি বিদ্যানিকেতনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ উপনির্বাচন: দুই আসনেই বিএনপির বড় জয়

ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন, কৃষকের ফসলহানি

এ কে আজাদ (উল্লাপাড়া) সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলমান ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কনকনে ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ ও কৃষকরা। শীতের তীব্রতায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আলু, ধান, পেঁয়াজ, শরিষা ও শীতকালীন সবজি চাষে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে উপজেলাজুড়ে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। সূর্যের দেখা না পাওয়ায় দিনের বেলাতেও শীতের প্রকোপ কমছে না। আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে সিরাজগঞ্জ জেলায় তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে উল্লাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে।

কৃষকরা জানান, ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহের কারণে সরিষা, আলু, ধানের চারা ও সবজির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। ইতোমধ্যে সরিষা ক্ষেতে ফুল আসতে শুরু করেছে, কিন্তু কুয়াশা ও হিমেল বাতাসের কারণে ফুলে পচন ধরছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ঝরে পড়ছে। ধানের চারা হলুদ হয়ে মারা যাচ্ছে। এছাড়া আলু ও বিভিন্ন সবজি ক্ষেতে পোকার আক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় চাষিরা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। এতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।

শুধু কৃষকরাই নয়, সাধারণ মানুষও শীতের তীব্রতায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষ পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে কাঁপছেন। অনেকেই সকাল ও সন্ধ্যায় ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। এতে খেটে খাওয়া মানুষদের আয়-রোজগার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, শীতবস্ত্র বিতরণ জোরদার করা এবং কৃষকদের ফসল রক্ষায় প্রয়োজনীয় কৃষি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান জরুরি। অন্যথায় শৈত্যপ্রবাহ দীর্ঘস্থায়ী হলে কৃষি ও জনজীবনে আরও বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।m

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৩:৩৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
৬৮ বার পড়া হয়েছে

ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন, কৃষকের ফসলহানি

আপডেট সময় ০৩:৩৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলমান ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কনকনে ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ ও কৃষকরা। শীতের তীব্রতায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আলু, ধান, পেঁয়াজ, শরিষা ও শীতকালীন সবজি চাষে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে উপজেলাজুড়ে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। সূর্যের দেখা না পাওয়ায় দিনের বেলাতেও শীতের প্রকোপ কমছে না। আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে সিরাজগঞ্জ জেলায় তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে উল্লাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে।

কৃষকরা জানান, ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহের কারণে সরিষা, আলু, ধানের চারা ও সবজির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। ইতোমধ্যে সরিষা ক্ষেতে ফুল আসতে শুরু করেছে, কিন্তু কুয়াশা ও হিমেল বাতাসের কারণে ফুলে পচন ধরছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ঝরে পড়ছে। ধানের চারা হলুদ হয়ে মারা যাচ্ছে। এছাড়া আলু ও বিভিন্ন সবজি ক্ষেতে পোকার আক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় চাষিরা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। এতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।

শুধু কৃষকরাই নয়, সাধারণ মানুষও শীতের তীব্রতায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষ পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে কাঁপছেন। অনেকেই সকাল ও সন্ধ্যায় ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। এতে খেটে খাওয়া মানুষদের আয়-রোজগার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, শীতবস্ত্র বিতরণ জোরদার করা এবং কৃষকদের ফসল রক্ষায় প্রয়োজনীয় কৃষি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান জরুরি। অন্যথায় শৈত্যপ্রবাহ দীর্ঘস্থায়ী হলে কৃষি ও জনজীবনে আরও বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।m