ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
পাংশায় ‘ফাল্গুনের অগ্নিশিখা’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন রাজবাড়ী জেলার নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আফরোজা পারভীন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাৎ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদারের প্রত্যয় রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে এনএসআই’র অভিযান: অবৈধভাবে অকটেন গুদামজাতের অপরাধে আটক ১ কালুখালীতে ব্যস্ত সময় পার করলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা আক্তার কোনাবাড়ীর আঞ্জুমান ফিলিং স্টেশনে রাতের আঁধারে ড্রামে ৪০০ লিটার ডিজেল, বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ কালুখালীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব পরিবারগুলো, মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়ে সহায়তার আহ্বান দিনাজপুরে যাত্রীবাহী কোচ ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত ৬ ছাদ ও বারান্দায় সবজি চাষে বীজ বিতরণ কার্যক্রম দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কৃষিকার্ডসহ কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

উল্লাপাড়ায় এম. আকবর আলী হারেনি, হেরেছে বিএনপি

এ কে আজাদ (উল্লাপাড়া) সিরাজগঞ্জ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৫-সিরাজগঞ্জ, ৪-উল্লাপাড়া আসনে প্রথমবারের মতো দখলে নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তবে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর সঙ্গে জামায়াতের প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান মাত্র ৫৯৪ভোট। উপজেলার মোট ১৪৭ কেন্দ্রে ভোটের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী এম.আকবর আলী ৭৬৫ ভোটে এগিয়ে থাকলেও পোস্টাল ভোটে হেরে যান তিনি। বিএনপির উপজেলা পর্যায়ে নেতাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও হিংসাত্মক মনোভাবের কারণেই এম. আকবর আলীর কপাল পুড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের অনেকে।
যদিও ভোটের এই ফলাফল মেনে নেয়নি বিএনপি। এই আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবিতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত আবেদন করেছেন বিএনপির প্রার্থী।

এম. আকবর আলী অভিযোগ করে বলছেন, এ আসনে ভোট গণনায় গরমিল করা হয়েছে। নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খাঁন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বিএনপির এম. আকবর আলী পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট।

বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এম. আকবর আলী দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর বিপক্ষে দাঁড়ান উপজেলা বিএনপির উচ্চপদে থাকা কয়েকজন নেতা। এদের মধ্যে একজন মনোনয়নপ্রত্যাশীর সমর্থকেরা নিয়মিত বিক্ষোভ সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি করেন। শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন পরিবর্তন না হওয়ায় তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে দলীয় প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনী প্রচার থেকে বিরত থাকেন। ফলে বিএনপির ভেতরেও বিভক্তি দেখা দেয়। তৃণমূল নেতা-কর্মীরাও বিভক্ত হয়ে নির্বাচনের মাঠে কাজ করেন।
স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, বিএনপি বেশ কিছুদিন ধরে বিভক্ত। ফলে দলের নেতা-কর্মীরাও দুই ভাগে বিভক্ত ছিলেন। ফলে বিএনপির ঘর থেকে বেশ কিছু ভোট চলে গেছে। এতেই বিএনপির এই পরাজয় হয়েছে।
উল্লাপাড়া আসনে ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে, বিগত কোনো নির্বাচনেই জামায়াতের প্রার্থীরা নির্বাচিত হতে পারেননি। এবার মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের হয়েছে, তবে বিএনপির প্রার্থীর সঙ্গে বিজয়ী জামায়াত প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান খুবই কম।

এদিকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন এম. আকবর আলী। তাঁর দাবি, ভোট গণনার তথ্যের মধ্যে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে, বাতিল ভোটের সংখ্যা অস্বাভাবিক ছিল, অনেক ভোট কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে জোর করে ফলাফল শিটে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে, কেন্দ্রভিত্তিক ভোটের হিসাবে গরমিলসহ বিভিন্ন অনিয়ম করা হয়েছে।এ প্রসঙ্গে বিএনপির প্রার্থী এম. আকবর আলী বলেন, ‘দলীয় কিছু ব্যক্তির অসহযোগিতা ছিল। এরপরও সাধারণ মানুষ বিএনপির ধানের শীষেই ভোট দিয়েছেন। তবে অন্যদিকে ভোট গণনায় জালিয়াতি করা হয়েছে। আমরা এই ফলাফল মানি না। ভোট পুনর্গণনার দাবি করি।

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারী) অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের মধ্যে উল্লাপাড়া আসনে জয় পায় জামায়াত। উল্লাপাড়া আসনের ফল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
ইতিহাস বলছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে এ আসনে দীর্ঘদিন ধরেই শক্ত অবস্থানে ছিল বিএনপি। ১৯৯১ ও ২০০১ সালে এখানে জয় পান এম. আকবর আলী।
বিএনপির অন্তত ২৫ জন স্থানীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দলীয় সমন্বয়ের ঘাটতি ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল বিএনপির পরাজয়ের বড় কারণ। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের ভোটের সমন্বয়ও এখানে হয়নি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে জামায়াত মাঠপর্যায়ে ব্যাপক প্রচারণা চালায়। ঘরে ঘরে যোগাযোগ, নারী ভোটারদের কেন্দ্রে আনা এবং দলীয় কোন্দল না থাকা—এসব বিষয় তাঁদের পক্ষে কাজ করেছে।
নির্বাচনী প্রচারের সঙ্গে জড়িত জামায়াতের একজন কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আসনটি আমাদের কাছে নিশ্চিত ছিল না। তবে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল আমাদের মাথায় ছিল। আমরা নির্বাচনের জন্য প্রচুর কাজ করেছি, ঘরে ঘরে গিয়েছি।’

অন্যদিকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের একটি অংশের মতে, দলীয় অভ্যন্তরীণ বিভাজন, কর্মীদের নিষ্ক্রিয়তা, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস এবং মাঠপর্যায়ে দুর্বল প্রচারণা পরাজয়ের কারণ হয়েছে। বিশেষ করে ভোটারদের ঘরে ঘরে পৌঁছাতে না পারা এবং নারী ভোটারদের কাছে না যাওয়ার বড় দুর্বলতা ছিল। এলাকার সর্বস্তরের জনগণের কাছে এম. আকবর আলী একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি ছিলেন। তিনি উল্লাপাড়ায় উন্নয়নের রুপকার ও শিক্ষাণুরাগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর এই পরাজয় কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না অনেকে। তাঁরা মনে করছেন এম. আকবর আলীর পরাজয় হয়নি, পরাজয় হয়েছে, বিএনপর একনিষ্ঠ কর্মী সমর্থকদের ও উল্লাপাড়ার ভবিষ্যৎ উন্নয়নের।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৪:২০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৩৮ বার পড়া হয়েছে

উল্লাপাড়ায় এম. আকবর আলী হারেনি, হেরেছে বিএনপি

আপডেট সময় ০৪:২০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৫-সিরাজগঞ্জ, ৪-উল্লাপাড়া আসনে প্রথমবারের মতো দখলে নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তবে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর সঙ্গে জামায়াতের প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান মাত্র ৫৯৪ভোট। উপজেলার মোট ১৪৭ কেন্দ্রে ভোটের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী এম.আকবর আলী ৭৬৫ ভোটে এগিয়ে থাকলেও পোস্টাল ভোটে হেরে যান তিনি। বিএনপির উপজেলা পর্যায়ে নেতাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও হিংসাত্মক মনোভাবের কারণেই এম. আকবর আলীর কপাল পুড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের অনেকে।
যদিও ভোটের এই ফলাফল মেনে নেয়নি বিএনপি। এই আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবিতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত আবেদন করেছেন বিএনপির প্রার্থী।

এম. আকবর আলী অভিযোগ করে বলছেন, এ আসনে ভোট গণনায় গরমিল করা হয়েছে। নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খাঁন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বিএনপির এম. আকবর আলী পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট।

বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এম. আকবর আলী দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর বিপক্ষে দাঁড়ান উপজেলা বিএনপির উচ্চপদে থাকা কয়েকজন নেতা। এদের মধ্যে একজন মনোনয়নপ্রত্যাশীর সমর্থকেরা নিয়মিত বিক্ষোভ সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি করেন। শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন পরিবর্তন না হওয়ায় তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে দলীয় প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনী প্রচার থেকে বিরত থাকেন। ফলে বিএনপির ভেতরেও বিভক্তি দেখা দেয়। তৃণমূল নেতা-কর্মীরাও বিভক্ত হয়ে নির্বাচনের মাঠে কাজ করেন।
স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, বিএনপি বেশ কিছুদিন ধরে বিভক্ত। ফলে দলের নেতা-কর্মীরাও দুই ভাগে বিভক্ত ছিলেন। ফলে বিএনপির ঘর থেকে বেশ কিছু ভোট চলে গেছে। এতেই বিএনপির এই পরাজয় হয়েছে।
উল্লাপাড়া আসনে ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে, বিগত কোনো নির্বাচনেই জামায়াতের প্রার্থীরা নির্বাচিত হতে পারেননি। এবার মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের হয়েছে, তবে বিএনপির প্রার্থীর সঙ্গে বিজয়ী জামায়াত প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান খুবই কম।

এদিকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন এম. আকবর আলী। তাঁর দাবি, ভোট গণনার তথ্যের মধ্যে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে, বাতিল ভোটের সংখ্যা অস্বাভাবিক ছিল, অনেক ভোট কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে জোর করে ফলাফল শিটে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে, কেন্দ্রভিত্তিক ভোটের হিসাবে গরমিলসহ বিভিন্ন অনিয়ম করা হয়েছে।এ প্রসঙ্গে বিএনপির প্রার্থী এম. আকবর আলী বলেন, ‘দলীয় কিছু ব্যক্তির অসহযোগিতা ছিল। এরপরও সাধারণ মানুষ বিএনপির ধানের শীষেই ভোট দিয়েছেন। তবে অন্যদিকে ভোট গণনায় জালিয়াতি করা হয়েছে। আমরা এই ফলাফল মানি না। ভোট পুনর্গণনার দাবি করি।

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারী) অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের মধ্যে উল্লাপাড়া আসনে জয় পায় জামায়াত। উল্লাপাড়া আসনের ফল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
ইতিহাস বলছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে এ আসনে দীর্ঘদিন ধরেই শক্ত অবস্থানে ছিল বিএনপি। ১৯৯১ ও ২০০১ সালে এখানে জয় পান এম. আকবর আলী।
বিএনপির অন্তত ২৫ জন স্থানীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দলীয় সমন্বয়ের ঘাটতি ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল বিএনপির পরাজয়ের বড় কারণ। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের ভোটের সমন্বয়ও এখানে হয়নি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে জামায়াত মাঠপর্যায়ে ব্যাপক প্রচারণা চালায়। ঘরে ঘরে যোগাযোগ, নারী ভোটারদের কেন্দ্রে আনা এবং দলীয় কোন্দল না থাকা—এসব বিষয় তাঁদের পক্ষে কাজ করেছে।
নির্বাচনী প্রচারের সঙ্গে জড়িত জামায়াতের একজন কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আসনটি আমাদের কাছে নিশ্চিত ছিল না। তবে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল আমাদের মাথায় ছিল। আমরা নির্বাচনের জন্য প্রচুর কাজ করেছি, ঘরে ঘরে গিয়েছি।’

অন্যদিকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের একটি অংশের মতে, দলীয় অভ্যন্তরীণ বিভাজন, কর্মীদের নিষ্ক্রিয়তা, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস এবং মাঠপর্যায়ে দুর্বল প্রচারণা পরাজয়ের কারণ হয়েছে। বিশেষ করে ভোটারদের ঘরে ঘরে পৌঁছাতে না পারা এবং নারী ভোটারদের কাছে না যাওয়ার বড় দুর্বলতা ছিল। এলাকার সর্বস্তরের জনগণের কাছে এম. আকবর আলী একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি ছিলেন। তিনি উল্লাপাড়ায় উন্নয়নের রুপকার ও শিক্ষাণুরাগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর এই পরাজয় কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না অনেকে। তাঁরা মনে করছেন এম. আকবর আলীর পরাজয় হয়নি, পরাজয় হয়েছে, বিএনপর একনিষ্ঠ কর্মী সমর্থকদের ও উল্লাপাড়ার ভবিষ্যৎ উন্নয়নের।