ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
পহেলা বৈশাখে মিরপুরে পান্তা-ভাতের আয়োজন বাবুল মোল্লার উদ্যোগে পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী -তারেক রহমান বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর প্রার্থী আমিনুর রহমান শান্ত বিতর্কিত আলী আফজালের নেতৃত্বে রিহ্যাব দখলের অভিযোগ, উদ্বেগ সংশ্লিষ্ট মহলে ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে দিনাজপুরে জিরো পয়েন্ট দৌড়ে ইতিহাস গড়লেন তরুণ অ্যাথলেট সাকিব উৎসবমুখর পরিবেশে ফুলকুঁড়ি বিদ্যানিকেতনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ উপনির্বাচন: দুই আসনেই বিএনপির বড় জয় পাংশায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত কালুখালীতে মাদকবিরোধী অভিযান: ৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড লোহাগড়ায় দাফনের ৭ মাস পর কবর থেকে পার্ক ম্যানেজারের লাশ উত্তোলন, তদন্তে নতুন মোড়

বগুড়া-৬ আসন ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তরুণ নেতৃত্ব চায় জেলায় নতুন সমীকরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বহুল আলোচিত বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় জেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য উপনির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে।
জেলার একটি বড় অংশ মনে করছে, বগুড়া-৬ ঐতিহাসিকভাবে জিয়া পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। তাই অনেকে চান, আসনটি জিয়া পরিবারের মধ্যেই থাকুক। তবে দলীয় সিদ্ধান্তে যদি পরিবারের বাইরে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তাহলে শিক্ষিত, সৎ ও তৃণমূলভিত্তিক তরুণ নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি উঠেছে।

স্থানীয়রা অতীতের উদাহরণ টেনে বলেন, ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই আসন থেকে দেশের সর্বকনিষ্ঠ এমপি হিসেবে এস.এম. ফারুককে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বগুড়া জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা কমান্ডার। তার রাজনৈতিক অবদান এখনও জেলায় স্মরণীয় হয়ে আছে।
তারই ধারাবাহিকতায় তার বড় ছেলে সৈয়দ ওয়ায়েজ করণী আকাশ বর্তমানে রাজনীতিতে সক্রিয়। ছাত্রদল থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতা ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে বগুড়া জেলা যুবদলের গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন। দলীয় আন্দোলন-সংগ্রাম ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয় তরুণদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

জেলার তরুণ প্রজন্মের অনেকেই মনে করছেন, আসন্ন উপনির্বাচনে যদি জিয়া পরিবারের বাইরে প্রার্থী দেওয়া হয়, তাহলে এমন কাউকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত যিনি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন।
বগুড়া-৬ আসনে সম্ভাব্য উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন অপেক্ষা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের। দলীয় মনোনয়ন ঘিরে জেলায় উত্তেজনা ও প্রত্যাশা দুটিই বাড়ছে।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ১১:২১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৫৯ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া-৬ আসন ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তরুণ নেতৃত্ব চায় জেলায় নতুন সমীকরণ

আপডেট সময় ১১:২১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বহুল আলোচিত বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় জেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য উপনির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে।
জেলার একটি বড় অংশ মনে করছে, বগুড়া-৬ ঐতিহাসিকভাবে জিয়া পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। তাই অনেকে চান, আসনটি জিয়া পরিবারের মধ্যেই থাকুক। তবে দলীয় সিদ্ধান্তে যদি পরিবারের বাইরে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তাহলে শিক্ষিত, সৎ ও তৃণমূলভিত্তিক তরুণ নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি উঠেছে।

স্থানীয়রা অতীতের উদাহরণ টেনে বলেন, ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই আসন থেকে দেশের সর্বকনিষ্ঠ এমপি হিসেবে এস.এম. ফারুককে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বগুড়া জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা কমান্ডার। তার রাজনৈতিক অবদান এখনও জেলায় স্মরণীয় হয়ে আছে।
তারই ধারাবাহিকতায় তার বড় ছেলে সৈয়দ ওয়ায়েজ করণী আকাশ বর্তমানে রাজনীতিতে সক্রিয়। ছাত্রদল থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতা ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে বগুড়া জেলা যুবদলের গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন। দলীয় আন্দোলন-সংগ্রাম ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয় তরুণদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

জেলার তরুণ প্রজন্মের অনেকেই মনে করছেন, আসন্ন উপনির্বাচনে যদি জিয়া পরিবারের বাইরে প্রার্থী দেওয়া হয়, তাহলে এমন কাউকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত যিনি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন।
বগুড়া-৬ আসনে সম্ভাব্য উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন অপেক্ষা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের। দলীয় মনোনয়ন ঘিরে জেলায় উত্তেজনা ও প্রত্যাশা দুটিই বাড়ছে।