ঢাকা ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
পহেলা মে মুক্তি পাচ্ছে গাজী রাকায়েতের “মানুষটিকে দেখ” চিকিৎসা সেবায় অরবিন্দ শিশু হাসপাতালের ভূমিকা অনন্য : সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, এমপি জাতীয় ম্যাগাজিন ‘মাসিক অগ্নিবার্তা’র ৩২ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন’র শেরে বাংলা নগর থানা কমিটি অনুমোদন ও ছাদ কৃষিতে উৎসাহ সৃষ্টির জন্য বীজ বিতরণ ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদাকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা, অভিযোগ ও প্রত্যাশার মিশ্র প্রতিক্রিয়া নব-যোগদানকৃত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কালুখালী উপজেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে সাশ্রয়ী খাবার: নোয়াবের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে ১৫০ টাকার মধ্যেই লাঞ্চ ও নাস্তা মিরপুরে ময়লা অপসারণে বিশৃঙ্খলা, দখল ও হুমকির অভিযোগে বাড়ছে ভোগান্তি নড়াইলে গরু চুরি মামলার মূল হোতা গ্রেফতার সোলায়মান হক জোয়ারদারের সময়কার প্রভাবের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গায় চিকিৎসক দম্পতিকে ঘিরে বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলায় ফেসবুকে মন্তব্য করাকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে ডেকে এনে মারধর ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর তিন নেতার বিরুদ্ধে।

অভিযোগকারী মো. মিন্টু রহমান জিকো (৩৬) জানান, তিনি সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব। তার বাড়ি উপজেলার ভালুকঘর গ্রামে। এ ঘটনায় তিনি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, কেশবপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম সহিদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে মন্তব্য করাকে কেন্দ্র করে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টা ৪৬ মিনিটে মেসেঞ্জারে কল করে তাকে বাজারে দেখা করতে বলা হয়। পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে ফোনে কথা হলে তাকে কেশবপুর বাজারের গাজীর মোড়ে যেতে বলা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে গাজীর মোড়ে পৌঁছালে শেখ শহিদুল ইসলাম সহিদ, পৌর ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মতিন গাজী এবং একই ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন হোসেন তাকে জামার কলার ধরে টেনে কৃষি ব্যাংকের পাশের একটি চায়ের দোকানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। এতে তিনি ফোলা জখমপ্রাপ্ত হন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তার কাছে থাকা নগদ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা জোরপূর্বক নিয়ে নেওয়া হয় এবং তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনার সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি করেছেন অভিযোগকারী।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে জেলা বিএনপির কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন ভুক্তভোগী। যশোর জেলা বিএনপির সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৯:০০:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
৪৪ বার পড়া হয়েছে

আপডেট সময় ০৯:০০:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলায় ফেসবুকে মন্তব্য করাকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে ডেকে এনে মারধর ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর তিন নেতার বিরুদ্ধে।

অভিযোগকারী মো. মিন্টু রহমান জিকো (৩৬) জানান, তিনি সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব। তার বাড়ি উপজেলার ভালুকঘর গ্রামে। এ ঘটনায় তিনি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, কেশবপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম সহিদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে মন্তব্য করাকে কেন্দ্র করে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টা ৪৬ মিনিটে মেসেঞ্জারে কল করে তাকে বাজারে দেখা করতে বলা হয়। পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে ফোনে কথা হলে তাকে কেশবপুর বাজারের গাজীর মোড়ে যেতে বলা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে গাজীর মোড়ে পৌঁছালে শেখ শহিদুল ইসলাম সহিদ, পৌর ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মতিন গাজী এবং একই ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন হোসেন তাকে জামার কলার ধরে টেনে কৃষি ব্যাংকের পাশের একটি চায়ের দোকানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। এতে তিনি ফোলা জখমপ্রাপ্ত হন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তার কাছে থাকা নগদ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা জোরপূর্বক নিয়ে নেওয়া হয় এবং তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনার সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি করেছেন অভিযোগকারী।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে জেলা বিএনপির কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন ভুক্তভোগী। যশোর জেলা বিএনপির সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।