ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
পহেলা মে মুক্তি পাচ্ছে গাজী রাকায়েতের “মানুষটিকে দেখ” চিকিৎসা সেবায় অরবিন্দ শিশু হাসপাতালের ভূমিকা অনন্য : সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, এমপি জাতীয় ম্যাগাজিন ‘মাসিক অগ্নিবার্তা’র ৩২ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন’র শেরে বাংলা নগর থানা কমিটি অনুমোদন ও ছাদ কৃষিতে উৎসাহ সৃষ্টির জন্য বীজ বিতরণ ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক ফরিদাকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা, অভিযোগ ও প্রত্যাশার মিশ্র প্রতিক্রিয়া নব-যোগদানকৃত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কালুখালী উপজেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে সাশ্রয়ী খাবার: নোয়াবের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে ১৫০ টাকার মধ্যেই লাঞ্চ ও নাস্তা মিরপুরে ময়লা অপসারণে বিশৃঙ্খলা, দখল ও হুমকির অভিযোগে বাড়ছে ভোগান্তি নড়াইলে গরু চুরি মামলার মূল হোতা গ্রেফতার সোলায়মান হক জোয়ারদারের সময়কার প্রভাবের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গায় চিকিৎসক দম্পতিকে ঘিরে বিতর্ক

রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাঈদ মামুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাঈদ মামুন, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডের আশঙ্কা

রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাঈদ মামুনকে পেশাদার শুটারদের হাতে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা।

তদন্তকারীদের মতে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা গুলির খোসা ও নিহতের শরীর থেকে বের করা গুলি বিশ্লেষণ করে পেশাদার কিলারদের প্রোফাইলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেলে করে আসা দুইজন অস্ত্রধারী কাছ থেকে গুলি চালায়। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা না গেলেও সন্দেহের আঙুল উঠেছে শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন ও পিচ্চি হেলাল বাহিনীর দিকে।

ধানমন্ডি এলাকার সাবেক ছাত্রদল নেতা সাঈদ মামুন রাজধানীর পুলিশের তালিকাভুক্ত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর একজন ছিলেন। চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় জামিনে বের হওয়ার পর থেকেই তিনি ইমনের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। এরপর থেকেই মামুন পলাতক জীবনযাপন করছিলেন।

গত সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে একটি হত্যা মামলায় আদালতে হাজিরা শেষে বের হওয়ার সময় পুরান ঢাকার সূত্রাপুরে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সামনে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, “প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আমরা নিশ্চিত হয়েছি এটি একটি পরিকল্পিত টার্গেট কিলিং।”

মঙ্গলবার সকালে জানাজা শেষে মামুনের মরদেহ নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে দাফন করা হয়। হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সূত্রাপুর থানার পুলিশ ও ডিবির একটি বিশেষ দল কাজ করছে।

তদন্ত কর্মকর্তাদের ধারণা, হত্যাটি পেশাদার কিলারদের দ্বারাই সংঘটিত হয়েছে বিষয়টি এখন প্রায় নিশ্চিত।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৯:১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
৬৪ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাঈদ মামুন

আপডেট সময় ০৯:১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাঈদ মামুন, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডের আশঙ্কা

রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাঈদ মামুনকে পেশাদার শুটারদের হাতে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা।

তদন্তকারীদের মতে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা গুলির খোসা ও নিহতের শরীর থেকে বের করা গুলি বিশ্লেষণ করে পেশাদার কিলারদের প্রোফাইলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেলে করে আসা দুইজন অস্ত্রধারী কাছ থেকে গুলি চালায়। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা না গেলেও সন্দেহের আঙুল উঠেছে শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন ও পিচ্চি হেলাল বাহিনীর দিকে।

ধানমন্ডি এলাকার সাবেক ছাত্রদল নেতা সাঈদ মামুন রাজধানীর পুলিশের তালিকাভুক্ত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর একজন ছিলেন। চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় জামিনে বের হওয়ার পর থেকেই তিনি ইমনের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। এরপর থেকেই মামুন পলাতক জীবনযাপন করছিলেন।

গত সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে একটি হত্যা মামলায় আদালতে হাজিরা শেষে বের হওয়ার সময় পুরান ঢাকার সূত্রাপুরে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সামনে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, “প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আমরা নিশ্চিত হয়েছি এটি একটি পরিকল্পিত টার্গেট কিলিং।”

মঙ্গলবার সকালে জানাজা শেষে মামুনের মরদেহ নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে দাফন করা হয়। হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সূত্রাপুর থানার পুলিশ ও ডিবির একটি বিশেষ দল কাজ করছে।

তদন্ত কর্মকর্তাদের ধারণা, হত্যাটি পেশাদার কিলারদের দ্বারাই সংঘটিত হয়েছে বিষয়টি এখন প্রায় নিশ্চিত।