ঢাকা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
পহেলা বৈশাখে মিরপুরে পান্তা-ভাতের আয়োজন বাবুল মোল্লার উদ্যোগে পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী -তারেক রহমান বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর প্রার্থী আমিনুর রহমান শান্ত বিতর্কিত আলী আফজালের নেতৃত্বে রিহ্যাব দখলের অভিযোগ, উদ্বেগ সংশ্লিষ্ট মহলে ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে দিনাজপুরে জিরো পয়েন্ট দৌড়ে ইতিহাস গড়লেন তরুণ অ্যাথলেট সাকিব উৎসবমুখর পরিবেশে ফুলকুঁড়ি বিদ্যানিকেতনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ উপনির্বাচন: দুই আসনেই বিএনপির বড় জয় পাংশায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত কালুখালীতে মাদকবিরোধী অভিযান: ৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড লোহাগড়ায় দাফনের ৭ মাস পর কবর থেকে পার্ক ম্যানেজারের লাশ উত্তোলন, তদন্তে নতুন মোড়

উল্লাপাড়ায় সংরক্ষিত নারী আসনের গণদাবি জোরালো দলীয় গতিশীলতা ও জনউন্নয়ন ত্বরান্বিত করার প্রত্যাশা

আবুল কালাম আজাদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে সরকার গঠন করলেও সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর বিজয়ের পর স্থানীয় রাজনীতিতে ভিন্ন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মী ও সচেতন নাগরিকরা। তাদের দাবি, ৬৫-সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে দলীয় কার্যক্রমের গতিশীলতা কমে এসেছে এবং জনউন্নয়নমূলক কার্যক্রম প্রত্যাশিত মাত্রায় এগোচ্ছে না।
এই প্রেক্ষাপটে উল্লাপাড়ায় সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য জোরালো গণদাবি উঠেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, একজন সক্রিয় ও মাঠপর্যায়ে সম্পৃক্ত সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য থাকলে দলীয় সংগঠন যেমন চাঙ্গা হবে, তেমনি জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রমও ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে।
সংরক্ষিত নারী আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নবঞ্চিত বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সিমকী ইমাম খান এবং সাবেক সংসদ সদস্য এম. আকবর আলীর সহধর্মিণী মিসেস লায়ন মোমেনা আলী। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তাদের নাম ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা চললেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলের নীতিনির্ধারণী মহলের ওপর নির্ভর করছে।
উল্লাপাড়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দলীয় শক্তি পুনর্গঠন ও সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে একজন নিবেদিতপ্রাণ নারী প্রতিনিধির প্রয়োজন। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরাসরি তদারকি এবং জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।
স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় তাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে যে উজ্জীবন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে তা অনুপস্থিত। এ অবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে সাংগঠনিকভাবে দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। ফলে সংরক্ষিত নারী আসনের মাধ্যমে রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যতে আসন পুনরুদ্ধারের কৌশল হিসেবে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
উল্লাপাড়াবাসীর প্রত্যাশা, দলের উচ্চপর্যায়ের নেতৃত্ব স্থানীয় বাস্তবতা ও জনমতের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত একটি কার্যকর সিদ্ধান্ত নেবে। তাদের বিশ্বাস, সঠিক ও যোগ্য নেতৃত্ব মনোনীত হলে উল্লাপাড়ায় উন্নয়নের ধারা জোরদার হবে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও ফিরে আসবে।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ১২:০৮:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
৩৭ বার পড়া হয়েছে

উল্লাপাড়ায় সংরক্ষিত নারী আসনের গণদাবি জোরালো দলীয় গতিশীলতা ও জনউন্নয়ন ত্বরান্বিত করার প্রত্যাশা

আপডেট সময় ১২:০৮:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে সরকার গঠন করলেও সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর বিজয়ের পর স্থানীয় রাজনীতিতে ভিন্ন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মী ও সচেতন নাগরিকরা। তাদের দাবি, ৬৫-সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে দলীয় কার্যক্রমের গতিশীলতা কমে এসেছে এবং জনউন্নয়নমূলক কার্যক্রম প্রত্যাশিত মাত্রায় এগোচ্ছে না।
এই প্রেক্ষাপটে উল্লাপাড়ায় সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য জোরালো গণদাবি উঠেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, একজন সক্রিয় ও মাঠপর্যায়ে সম্পৃক্ত সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য থাকলে দলীয় সংগঠন যেমন চাঙ্গা হবে, তেমনি জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রমও ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে।
সংরক্ষিত নারী আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নবঞ্চিত বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সিমকী ইমাম খান এবং সাবেক সংসদ সদস্য এম. আকবর আলীর সহধর্মিণী মিসেস লায়ন মোমেনা আলী। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তাদের নাম ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা চললেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলের নীতিনির্ধারণী মহলের ওপর নির্ভর করছে।
উল্লাপাড়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দলীয় শক্তি পুনর্গঠন ও সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে একজন নিবেদিতপ্রাণ নারী প্রতিনিধির প্রয়োজন। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরাসরি তদারকি এবং জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।
স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় তাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে যে উজ্জীবন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে তা অনুপস্থিত। এ অবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে সাংগঠনিকভাবে দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। ফলে সংরক্ষিত নারী আসনের মাধ্যমে রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যতে আসন পুনরুদ্ধারের কৌশল হিসেবে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
উল্লাপাড়াবাসীর প্রত্যাশা, দলের উচ্চপর্যায়ের নেতৃত্ব স্থানীয় বাস্তবতা ও জনমতের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত একটি কার্যকর সিদ্ধান্ত নেবে। তাদের বিশ্বাস, সঠিক ও যোগ্য নেতৃত্ব মনোনীত হলে উল্লাপাড়ায় উন্নয়নের ধারা জোরদার হবে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও ফিরে আসবে।