ঢাকা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রেকর্ড পরিমান ভোটের ব্যবধানে রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী হারুন অর রশীদের নিরঙ্কুশ বিজয় কালিয়াকৈরে অপহরণ ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ নগদ টাকা লুট ও প্রাণনাশের হুমকি- থানায় অভিযোগ প্রথমবারের মতো দুই আসনে বিজয়ী বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ৫০ লাখ টাকাসহ বেলাল উদ্দিন প্রধান নামে এক যাত্রী আটক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুরে ২৫৭টি ভোট কেন্দ্র অধিক গুরুত্বপূর্ণ উল্লাপাড়ায় এম. আকবর আলী’র শেষ নির্বাচনী জনসভায় জনতার ঢল ঢাকা–১৭ আসনে নির্বাচনী প্রচারণায়  কড়াইল বস্তিতে ধানের শীষের পক্ষে ৯৯ ভাগ ভোটের আশা শাজাহানের সংসদ নির্বাচন: দূরপাল্লার যানবাহন চলাচলের বিষয়ে যা জানা গেল মনিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির মিছিল ও পথসভায় হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ বহু দিন পর নানি বাড়ী এসে উন্নয়ন করতে ধানের শীষে ভোট চাইলেন তারেক রহমান

নিজের জমি অন্যের দখলে,ফিরে পেতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকারের অভিযোগ 

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন জিরাবো মৌজাস্হিত আর, এস ৫৭ নং খতায়ানের ৩১ নং দাগে মোট দাগের ৩৫ শতাংশ জমি দখল বুঝে পেতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।

অনুসন্ধানে জানা যায় আশুলিয়া থানাধীন মোহাম্মদ আলী মেম্বার পিতাঃ তমিজ উদ্দিন জিরাবো এলাকার বাসিন্দা এবং তার পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া জমির ভিতর দিয়ে প্রতিপক্ষ মোঃ খোরশেদ আলম, আব্দুল মোতালেব, এম শামসুল হক,জিল্লুর রহমান দিলা, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল মান্নান, সহ কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাদশে স্হানীয় প্রভাবশালী বিএনপি দলীয় নেতার পরিচয় ব্যবহার করিয়া জোর দখল করিয়া আছে বলে ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, মোহাম্মদ আলী সাবেক মেম্বার প্রত্যেক ও ক্রয় সূত্রে প্রাপ্য জমির নব্বই শতাংশ জিরাবো মৌজার থানাধীন আর এস -৩১ নং নম্বর দাগের ভিতর পাঁচ শতাংশ পার্শ্ববর্তী এক প্রভাবশালী বিএনপি নেতার দখলে। এছাড়া ২৪ নম্বর দাগের ভিতর আপিল খান এর অধীনে জোরপূর্বক দখলকৃত হয়ে আছে ৬ শতাংশ জমি।
একই মজৌস্হিত আরএস -২৭ ও ৩০ নং দাগের অংশ হতে বর্তমান এয়ারপোর্ট ইউনানের বিএনপির দলীয় ইউনিয়ন সভাপতি তার সহোদর আঃ মোতালেব যিনি নিজে আওয়ামী লীগ সমর্থিত হলেও নিজ ভাই আব্দুল হাই এর পরিচয়ে ২৮ শতাংশ জায়গা জোরপূর্বক দখল করে ভোগ করছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী সাবেক ইউপি মেম্বার মোহাম্মদ আলী।
এই বিষয়ে তথ্য অনুসন্ধানে জানাজায় মোহাম্মদ আলী একজন রাজনৈতিক কর্মী গত সরকারের আমলে ডাঃ দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবুর একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে জেল জুলুম অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানান। এছাড়া আশুলিয়া মামলাতে রাজনৈতিক মামলায় শিকার হওয়ার বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। বিএনপি দলীয় সমর্থক হিসেবে বর্তমান সময়ও বিভিন্ন ভাবে প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছে। এক্ষেত্রে এ ক্ষেত্রে একটি কুচক্রী মহলের ইন্ধনে বলে মনে করেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী। তাদের মধ্যে ১.আব্দুল মোতালেব বেপারী, পিতাঃ রজ্জব আলী,২. মোঃ খোরশেদ আলম, পিতাঃ মৃতঃ আব্দস সামাদ বেপারী, ও দুইজন ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা ৩.মোঃ জিল্লুর রহমান পিতাঃ তমিজউদদীন ৪.মোঃ সামছুল হক পিতাঃ মৃতঃ গফুর মুন্সীসহ ৫.আমজাদ হোসেন বেপারী,৬.কামরুল ইসলাম, ৭.মোঃ জাহঙ্গীর আলম,৮.মোঃ লিয়াকত দেওয়ান ও মজিবর রহমান যারা আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে এলাকায় পরিচিত নাম।
এক্ষেত্রে ভুক্তভোগী রহমত আলী আক্ষেপ করে বলেন যে বিগত সরকারের আমলে এমপি দলীয় সমর্থক হয় তৎকালের সময় হামলা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। বর্তমান অন্তবর্তী কালে সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের দ্বারা আমাকে প্রকৃত অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে।
অভিযোগের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেরাবো মৌজা স্হিত এস ৫৭ খতিয়ানের ৩১ নম্বর দাগে ৮৫.২৫ শতাংশ জমির কাতে ২৩ শতাংশ জমি পৈত্রিক ও ক্রয় সূত্র মালিক হইয়া সেখানে চারটি দোকান ঘর ভাড়া দিলে ও সাথী দোকান নির্মান প্রকৃতি থাকা সত্বে উক্ত সম্পদের বর্তমান বাজার মুল্য কয়েক কোটি টাকা হওয়ায় জমির উত্তরপূর্ব পাশ হইতে ৬ শতাংশ জমি জবরদখল করার পাঁয়তারা করছেন বলে জানান ভুক্তভোগী।
এই ঘটনাই আমুলিয়া আদালত আশুলিয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বাদী মোহাম্মদ আলী মামলা দায়ের করলে প্রাথমিকভাবে মামলাটি বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে পুলিশ ব্রো ইনভেস্টিগেশন( পিবিআই) এর পক্ষে উপ পুলিশ পরিদর্শক মানিক চন্দ্র সাহা তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের ব্যর্থ হয় পরবর্তীতে মামলাটি পুনঃ তদন্তের বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক সিআইডি এর উপর অর্পিত হয়।
সিআইডি সিআর মামলা নং ২১৮/২৩ এর পূন তদন্তে এই প্রতিবেদন দাখিল করে যে, সার্বিক তদন্তে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমান সাপেক্ষে অভিযুক্ত হিসাবে উক্ত মামলায় মোঃ খোরশেদ আলম,আব্দুল মোতালেব, এম শামসুল হক, জিল্লুর রহমান, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ সৌরভ,আব্দুল মান্নান, মোঃ শান্ত ও মানিকসহ সকলের বিরুদ্ধে পেনাল কোড ১৪৩/৪৪৮/৩৮০/৪২৭/৫০৬ ধারায় অপরাধ প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুর উদ্দিন জাহেদ চৌধুরী কতৃক তদন্ত প্রতিবেদন স্বারক নং ৩০৯৪ ২০/১১/২৪ ইং তারিখে বিজ্ঞ আদালতে প্রদান করেন।
এতদাসংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত থাকার পরও ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলীকে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক হয়রানি করে যাচ্ছে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।
এই ধরনের হয়রানি সংক্রান্ত বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টা এখনো আমার নলেজে আসে নাই যদি ফৌজদারী কোন বিষয় থাকে তবে অবশ্যই আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৯:০০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫
১১০ বার পড়া হয়েছে

নিজের জমি অন্যের দখলে,ফিরে পেতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকারের অভিযোগ 

আপডেট সময় ০৯:০০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫

ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন জিরাবো মৌজাস্হিত আর, এস ৫৭ নং খতায়ানের ৩১ নং দাগে মোট দাগের ৩৫ শতাংশ জমি দখল বুঝে পেতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।

অনুসন্ধানে জানা যায় আশুলিয়া থানাধীন মোহাম্মদ আলী মেম্বার পিতাঃ তমিজ উদ্দিন জিরাবো এলাকার বাসিন্দা এবং তার পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া জমির ভিতর দিয়ে প্রতিপক্ষ মোঃ খোরশেদ আলম, আব্দুল মোতালেব, এম শামসুল হক,জিল্লুর রহমান দিলা, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল মান্নান, সহ কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাদশে স্হানীয় প্রভাবশালী বিএনপি দলীয় নেতার পরিচয় ব্যবহার করিয়া জোর দখল করিয়া আছে বলে ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, মোহাম্মদ আলী সাবেক মেম্বার প্রত্যেক ও ক্রয় সূত্রে প্রাপ্য জমির নব্বই শতাংশ জিরাবো মৌজার থানাধীন আর এস -৩১ নং নম্বর দাগের ভিতর পাঁচ শতাংশ পার্শ্ববর্তী এক প্রভাবশালী বিএনপি নেতার দখলে। এছাড়া ২৪ নম্বর দাগের ভিতর আপিল খান এর অধীনে জোরপূর্বক দখলকৃত হয়ে আছে ৬ শতাংশ জমি।
একই মজৌস্হিত আরএস -২৭ ও ৩০ নং দাগের অংশ হতে বর্তমান এয়ারপোর্ট ইউনানের বিএনপির দলীয় ইউনিয়ন সভাপতি তার সহোদর আঃ মোতালেব যিনি নিজে আওয়ামী লীগ সমর্থিত হলেও নিজ ভাই আব্দুল হাই এর পরিচয়ে ২৮ শতাংশ জায়গা জোরপূর্বক দখল করে ভোগ করছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী সাবেক ইউপি মেম্বার মোহাম্মদ আলী।
এই বিষয়ে তথ্য অনুসন্ধানে জানাজায় মোহাম্মদ আলী একজন রাজনৈতিক কর্মী গত সরকারের আমলে ডাঃ দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবুর একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে জেল জুলুম অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানান। এছাড়া আশুলিয়া মামলাতে রাজনৈতিক মামলায় শিকার হওয়ার বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। বিএনপি দলীয় সমর্থক হিসেবে বর্তমান সময়ও বিভিন্ন ভাবে প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছে। এক্ষেত্রে এ ক্ষেত্রে একটি কুচক্রী মহলের ইন্ধনে বলে মনে করেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী। তাদের মধ্যে ১.আব্দুল মোতালেব বেপারী, পিতাঃ রজ্জব আলী,২. মোঃ খোরশেদ আলম, পিতাঃ মৃতঃ আব্দস সামাদ বেপারী, ও দুইজন ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা ৩.মোঃ জিল্লুর রহমান পিতাঃ তমিজউদদীন ৪.মোঃ সামছুল হক পিতাঃ মৃতঃ গফুর মুন্সীসহ ৫.আমজাদ হোসেন বেপারী,৬.কামরুল ইসলাম, ৭.মোঃ জাহঙ্গীর আলম,৮.মোঃ লিয়াকত দেওয়ান ও মজিবর রহমান যারা আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে এলাকায় পরিচিত নাম।
এক্ষেত্রে ভুক্তভোগী রহমত আলী আক্ষেপ করে বলেন যে বিগত সরকারের আমলে এমপি দলীয় সমর্থক হয় তৎকালের সময় হামলা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। বর্তমান অন্তবর্তী কালে সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের দ্বারা আমাকে প্রকৃত অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে।
অভিযোগের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেরাবো মৌজা স্হিত এস ৫৭ খতিয়ানের ৩১ নম্বর দাগে ৮৫.২৫ শতাংশ জমির কাতে ২৩ শতাংশ জমি পৈত্রিক ও ক্রয় সূত্র মালিক হইয়া সেখানে চারটি দোকান ঘর ভাড়া দিলে ও সাথী দোকান নির্মান প্রকৃতি থাকা সত্বে উক্ত সম্পদের বর্তমান বাজার মুল্য কয়েক কোটি টাকা হওয়ায় জমির উত্তরপূর্ব পাশ হইতে ৬ শতাংশ জমি জবরদখল করার পাঁয়তারা করছেন বলে জানান ভুক্তভোগী।
এই ঘটনাই আমুলিয়া আদালত আশুলিয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বাদী মোহাম্মদ আলী মামলা দায়ের করলে প্রাথমিকভাবে মামলাটি বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে পুলিশ ব্রো ইনভেস্টিগেশন( পিবিআই) এর পক্ষে উপ পুলিশ পরিদর্শক মানিক চন্দ্র সাহা তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের ব্যর্থ হয় পরবর্তীতে মামলাটি পুনঃ তদন্তের বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক সিআইডি এর উপর অর্পিত হয়।
সিআইডি সিআর মামলা নং ২১৮/২৩ এর পূন তদন্তে এই প্রতিবেদন দাখিল করে যে, সার্বিক তদন্তে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমান সাপেক্ষে অভিযুক্ত হিসাবে উক্ত মামলায় মোঃ খোরশেদ আলম,আব্দুল মোতালেব, এম শামসুল হক, জিল্লুর রহমান, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ সৌরভ,আব্দুল মান্নান, মোঃ শান্ত ও মানিকসহ সকলের বিরুদ্ধে পেনাল কোড ১৪৩/৪৪৮/৩৮০/৪২৭/৫০৬ ধারায় অপরাধ প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুর উদ্দিন জাহেদ চৌধুরী কতৃক তদন্ত প্রতিবেদন স্বারক নং ৩০৯৪ ২০/১১/২৪ ইং তারিখে বিজ্ঞ আদালতে প্রদান করেন।
এতদাসংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত থাকার পরও ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলীকে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক হয়রানি করে যাচ্ছে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।
এই ধরনের হয়রানি সংক্রান্ত বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টা এখনো আমার নলেজে আসে নাই যদি ফৌজদারী কোন বিষয় থাকে তবে অবশ্যই আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।