ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সিলেটে নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিনে ‘মুশরিকদের’ বিষয়ে সতর্ক করলেন তারেক রহমান আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন: স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এ সিদ্দিক সাজুর প্রথম গণসংযোগ অনুষ্ঠিত বোরো ধানের কুশি বৃদ্ধিতে কার্যকর করণীয় জানালেন কৃষি লেখক সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ ঢাকা-১৬ আসনে মা-বাবার কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হকের শ্রীনগরে গুড়িয়ে দেওয়া অবৈধ সিলভার কারখানা নবাবগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে ঢাকাস্থ ফুলবাড়ী সমিতির মিলনমেলা সম্পন্ন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সপরিবারে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা-১৪ আসনকে আধুনিক ও আদর্শ নগরী গড়ার প্রত্যয় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ পাচ্ছেন হাবিপ্রবি’র ১৫৩ শিক্ষার্থী ফসলের জমি পরিদর্শন ও পরামর্শ প্রদান

বোরো ধানের কুশি বৃদ্ধিতে কার্যকর করণীয় জানালেন কৃষি লেখক সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ

কৃষিবিদ আবুল কালাম আজাদ

বোরো মৌসুমে ধানের ফলন বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান শর্ত হলো কুশি বা গোছার সংখ্যা বাড়ানো। এ বিষয়ে কৃষক পর্যায়ে সহজ, কম খরচে ও কার্যকর করণীয় তুলে ধরেছেন সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন; কৃষি লেখক ও কথক; বাংলাদেশ বেতারের। উপদেষ্টা দৈনিক গ্রামীণ কৃষি, দৈনিক সংবাদ প্রতিক্ষণ, দৈনিক নাগরিক কণ্ঠ ও অগ্নিবার্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
তিনি জানান, সঠিক সময়ে ও সঠিক মাত্রায় সার ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বোরো ধানের কুশির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।

কুশি বৃদ্ধিতে ধাপে ধাপে করণীয় (১ম কিস্তি) চারা রোপণের ১০–১৫ দিন পর প্রতি বিঘা জমিতে ৮–১২ কেজি ইউরিয়া সারের সঙ্গে ১ কেজি সালফার ভালোভাবে মিশিয়ে ১–২ ইঞ্চি পানি রেখে জমিতে ছিটিয়ে দিতে হবে। সার প্রয়োগের পর সম্ভব হলে হাত নিড়ানি দিয়ে মাটি আলগা করে দিতে হবে। এতে সারের কার্যকারিতা বাড়ে।
চারা রোপণের ২০–২৫ দিনের মধ্যে জমিটি কিছুদিনের জন্য শুকিয়ে নিয়ে পরে আবার পানি দিলে কুশির সংখ্যা আরও বাড়ে।

২য় কিস্তি
চারা রোপণের ৩০–৩৫ দিনের মধ্যে প্রতি বিঘা জমিতে ৮–১০ কেজি ইউরিয়া সার ১–২ ইঞ্চি পানি রেখে ছিটিয়ে দিতে হবে।
৩য় কিস্তি
চারা রোপণের প্রায় ৪০ দিন পর প্রতি বিঘা জমিতে ১ কেজি জিংক সার ১–২ ইঞ্চি পানি রেখে প্রয়োগ করলে গাছের বৃদ্ধি ও কুশি গঠনে সহায়ক হয়।

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

তিনি বিশেষভাবে সতর্ক করে বলেন,“জমিতে অযথা এটা-ওটা স্প্রে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। এতে শুধু উৎপাদন খরচই বাড়ে, ফলন বাড়ে না।”উপরের নির্দেশনাগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করলে বোরো ধানের জমিতে কুশির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং ইনশাআল্লাহ ফলনও হবে সন্তোষজনক এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।কৃষকদের জন্য এই বাস্তবসম্মত ও সহজ পরামর্শ বোরো মৌসুমে ধান উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন

ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৮:৫১:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
৫ বার পড়া হয়েছে

বোরো ধানের কুশি বৃদ্ধিতে কার্যকর করণীয় জানালেন কৃষি লেখক সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ

আপডেট সময় ০৮:৫১:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

বোরো মৌসুমে ধানের ফলন বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান শর্ত হলো কুশি বা গোছার সংখ্যা বাড়ানো। এ বিষয়ে কৃষক পর্যায়ে সহজ, কম খরচে ও কার্যকর করণীয় তুলে ধরেছেন সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন; কৃষি লেখক ও কথক; বাংলাদেশ বেতারের। উপদেষ্টা দৈনিক গ্রামীণ কৃষি, দৈনিক সংবাদ প্রতিক্ষণ, দৈনিক নাগরিক কণ্ঠ ও অগ্নিবার্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
তিনি জানান, সঠিক সময়ে ও সঠিক মাত্রায় সার ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বোরো ধানের কুশির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।

কুশি বৃদ্ধিতে ধাপে ধাপে করণীয় (১ম কিস্তি) চারা রোপণের ১০–১৫ দিন পর প্রতি বিঘা জমিতে ৮–১২ কেজি ইউরিয়া সারের সঙ্গে ১ কেজি সালফার ভালোভাবে মিশিয়ে ১–২ ইঞ্চি পানি রেখে জমিতে ছিটিয়ে দিতে হবে। সার প্রয়োগের পর সম্ভব হলে হাত নিড়ানি দিয়ে মাটি আলগা করে দিতে হবে। এতে সারের কার্যকারিতা বাড়ে।
চারা রোপণের ২০–২৫ দিনের মধ্যে জমিটি কিছুদিনের জন্য শুকিয়ে নিয়ে পরে আবার পানি দিলে কুশির সংখ্যা আরও বাড়ে।

২য় কিস্তি
চারা রোপণের ৩০–৩৫ দিনের মধ্যে প্রতি বিঘা জমিতে ৮–১০ কেজি ইউরিয়া সার ১–২ ইঞ্চি পানি রেখে ছিটিয়ে দিতে হবে।
৩য় কিস্তি
চারা রোপণের প্রায় ৪০ দিন পর প্রতি বিঘা জমিতে ১ কেজি জিংক সার ১–২ ইঞ্চি পানি রেখে প্রয়োগ করলে গাছের বৃদ্ধি ও কুশি গঠনে সহায়ক হয়।

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

তিনি বিশেষভাবে সতর্ক করে বলেন,“জমিতে অযথা এটা-ওটা স্প্রে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। এতে শুধু উৎপাদন খরচই বাড়ে, ফলন বাড়ে না।”উপরের নির্দেশনাগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করলে বোরো ধানের জমিতে কুশির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং ইনশাআল্লাহ ফলনও হবে সন্তোষজনক এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।কৃষকদের জন্য এই বাস্তবসম্মত ও সহজ পরামর্শ বোরো মৌসুমে ধান উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন