ঢাকা ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
পহেলা বৈশাখে মিরপুরে পান্তা-ভাতের আয়োজন বাবুল মোল্লার উদ্যোগে পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী -তারেক রহমান বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর প্রার্থী আমিনুর রহমান শান্ত বিতর্কিত আলী আফজালের নেতৃত্বে রিহ্যাব দখলের অভিযোগ, উদ্বেগ সংশ্লিষ্ট মহলে ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে দিনাজপুরে জিরো পয়েন্ট দৌড়ে ইতিহাস গড়লেন তরুণ অ্যাথলেট সাকিব উৎসবমুখর পরিবেশে ফুলকুঁড়ি বিদ্যানিকেতনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ উপনির্বাচন: দুই আসনেই বিএনপির বড় জয় পাংশায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত কালুখালীতে মাদকবিরোধী অভিযান: ৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড লোহাগড়ায় দাফনের ৭ মাস পর কবর থেকে পার্ক ম্যানেজারের লাশ উত্তোলন, তদন্তে নতুন মোড়

 অল্প জায়গায় মালসায় কলা চাষে সম্ভাবনার দিগন্ত -ড.আবুল কালাম আজাদ

নিজস্ব সংবাদ :

নগর জীবনে সীমিত জায়গার মধ্যেও কৃষিকে এগিয়ে নিতে মালসা বা বড় পাত্রে কলা চাষ একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হিসেবে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কৃষি বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে ঘরের ছাদ, বারান্দা কিংবা আঙিনায়ও সফলভাবে কলা উৎপাদন সম্ভব।
তিনি জানান, মালসায় কলা চাষের জন্য ৫০–৮০ লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ড্রাম, সিমেন্টের টব বা মাটির পাত্র ব্যবহার করা উচিত, যার নিচে পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকতে হবে। মাটি প্রস্তুতের ক্ষেত্রে বেলে দোঁআশ মাটির সঙ্গে পচা গোবর, বালি ও ভার্মি কম্পোস্ট মিশিয়ে উর্বর মাধ্যম তৈরি করতে হয়। অতিরিক্ত পুষ্টির জন্য হাড়ের গুঁড়া ও ছাই ব্যবহার করলে ফলন ভালো হয়।
চারা রোপণের সময় রোগমুক্ত সাকার বা টিস্যু কালচার চারা নির্বাচন করা জরুরি। প্রতিটি পাত্রে একটি করে গাছ লাগাতে হবে এবং নিয়মিত সেচ দিতে হবে, তবে পানি জমে থাকা যাবে না। গাছের জন্য প্রতিদিন ৬–৮ ঘণ্টা সূর্যালোক নিশ্চিত করতে হবে এবং ঝড়ো বাতাস থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
সার প্রয়োগের ক্ষেত্রে মাসভিত্তিক পরিকল্পনা অনুসরণ করা প্রয়োজন। শুরুতে জৈব সার প্রয়োগের পর ধীরে ধীরে ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি প্রয়োগ করলে গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। মোচা আসার সময় এবং ফল বড় হওয়ার পর্যায়ে অতিরিক্ত পুষ্টি সরবরাহ করলে ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
পরিচর্যার অংশ হিসেবে শুকনো পাতা অপসারণ, অতিরিক্ত চারা নিয়ন্ত্রণ এবং নিম তেল স্প্রে করে পোকা দমন করা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক যত্ন নিলে ৮ থেকে ১২ মাসের মধ্যে একটি গাছ থেকে একটি পূর্ণ থোকা কলা পাওয়া সম্ভব।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ১০:১৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
২০ বার পড়া হয়েছে

 অল্প জায়গায় মালসায় কলা চাষে সম্ভাবনার দিগন্ত -ড.আবুল কালাম আজাদ

আপডেট সময় ১০:১৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

নগর জীবনে সীমিত জায়গার মধ্যেও কৃষিকে এগিয়ে নিতে মালসা বা বড় পাত্রে কলা চাষ একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হিসেবে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কৃষি বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে ঘরের ছাদ, বারান্দা কিংবা আঙিনায়ও সফলভাবে কলা উৎপাদন সম্ভব।
তিনি জানান, মালসায় কলা চাষের জন্য ৫০–৮০ লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ড্রাম, সিমেন্টের টব বা মাটির পাত্র ব্যবহার করা উচিত, যার নিচে পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকতে হবে। মাটি প্রস্তুতের ক্ষেত্রে বেলে দোঁআশ মাটির সঙ্গে পচা গোবর, বালি ও ভার্মি কম্পোস্ট মিশিয়ে উর্বর মাধ্যম তৈরি করতে হয়। অতিরিক্ত পুষ্টির জন্য হাড়ের গুঁড়া ও ছাই ব্যবহার করলে ফলন ভালো হয়।
চারা রোপণের সময় রোগমুক্ত সাকার বা টিস্যু কালচার চারা নির্বাচন করা জরুরি। প্রতিটি পাত্রে একটি করে গাছ লাগাতে হবে এবং নিয়মিত সেচ দিতে হবে, তবে পানি জমে থাকা যাবে না। গাছের জন্য প্রতিদিন ৬–৮ ঘণ্টা সূর্যালোক নিশ্চিত করতে হবে এবং ঝড়ো বাতাস থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
সার প্রয়োগের ক্ষেত্রে মাসভিত্তিক পরিকল্পনা অনুসরণ করা প্রয়োজন। শুরুতে জৈব সার প্রয়োগের পর ধীরে ধীরে ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি প্রয়োগ করলে গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। মোচা আসার সময় এবং ফল বড় হওয়ার পর্যায়ে অতিরিক্ত পুষ্টি সরবরাহ করলে ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
পরিচর্যার অংশ হিসেবে শুকনো পাতা অপসারণ, অতিরিক্ত চারা নিয়ন্ত্রণ এবং নিম তেল স্প্রে করে পোকা দমন করা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক যত্ন নিলে ৮ থেকে ১২ মাসের মধ্যে একটি গাছ থেকে একটি পূর্ণ থোকা কলা পাওয়া সম্ভব।