ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রথমবারের মতো দুই আসনে বিজয়ী বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ৫০ লাখ টাকাসহ বেলাল উদ্দিন প্রধান নামে এক যাত্রী আটক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুরে ২৫৭টি ভোট কেন্দ্র অধিক গুরুত্বপূর্ণ উল্লাপাড়ায় এম. আকবর আলী’র শেষ নির্বাচনী জনসভায় জনতার ঢল ঢাকা–১৭ আসনে নির্বাচনী প্রচারণায়  কড়াইল বস্তিতে ধানের শীষের পক্ষে ৯৯ ভাগ ভোটের আশা শাজাহানের সংসদ নির্বাচন: দূরপাল্লার যানবাহন চলাচলের বিষয়ে যা জানা গেল মনিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির মিছিল ও পথসভায় হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ বহু দিন পর নানি বাড়ী এসে উন্নয়ন করতে ধানের শীষে ভোট চাইলেন তারেক রহমান মিরপুরে তারেক রহমানের আগমন ৮ ই ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের পক্ষে জনসমাবেশে ভোটের আহ্বান ত্যাগ ও সংগ্রামের স্বীকৃতি পেলেন আওলাদ হোসেন মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ

রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নামে প্রতারণার মামলা বিধবা আলেয়ার 

স্টাফ রিপোর্টার
রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নামে প্রতারণার মামলা বিধবা আলেয়ার,ন্যায় বিচারের প্রত্যাশা।
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসিনা পারভীন নিলুফা ও রতনদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্মল সাহাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা দায়ের করেন।
মামলার নম্বর ১৫৪/২৪ যার ধারা,৪০৬/৪২০/৩২৩ /৫০৬(২) দণ্ডবিধি। মামলাটি দায়ের করেছেন  আলেয়া বেগম (৫০) নামের এক বিধবা নারী, আলেয়া বেগম কালুখালীর পশ্চিম ধানবাড়ীয়া গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিন বিশ্বাসের স্ত্রী। মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন: আ. মতিন, জিন্নাহ প্রামানিক, মিজানুর রহমান মিজান, সিদ্দিক, নজরুল খা, লালটু ফকির, অজয় মুহুরী এবং মুক্তার মেম্বার।
বাদী আলেয়া বেগমের মামলাসূএে জানা যায় যে, আসামীরা তার পরিবারের সদস্যদের ছবি তুলে তাকে জানায় যে,শেখ হাসিনার ঘর বরাদ্দ হয়েছে তার নামে। কিন্তু পরে ওই ঘরটি অন্য কাউকে বরাদ্দ দেয়া হয়। এ ঘটনার কারণ জানতে চাওয়ার পর, রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসিনা পারভীন নিলুফার নির্দেশে আসামীরা বাদী আলেয়া বেগমকে মারধর করে এবং তার জীবননাশের হুমকি দেয়।এ অবস্থায় আলেয়া বেগম আদালতে মামলাটি দায়ের করেছেন।
 মামলা বিগত ১ বছর চলমান রয়েছে, কালুখালী থানা সাব ইনসপেক্টার শাহাদত হোসেন উক্ত মামলার চার্চশীট প্রদান করে যেখানে লেখা আছে উক্ত ব্যক্তিগণের বিরুদ্ধে এই মামলার কোন সম্পৃক্ত নাই। তাদের এই মামলা থেকে অব্যহতি প্রদানের জন্য চার্চশীট প্রদান করে। কিন্ত বাদী আলেয়া বেগম এই মামলার নারাজী কোর্টে পেশ করেন।
ঘটনার পর, মিজানুর রহমান মিজান, লালটু ফকির এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্মল সাহা এলাকা থেকে পালিয়ে যান।
অসহায় আলেয়ার অভিযোগ  নাম ও সাকিন পরিবর্তন করে, আমার বরাদ্দকৃত ঘর মেহেদী হাসিনা পারভীন নিলুফা অন্য মানুষকে দিয়ে দেয় । বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন সময় নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে আমার মামলার আমাকে ঠকানো হয়।আমাকে না জানিয়ে আমার দায়েরকৃত মামলার আসামিদেরকে জামিন দেওয়া হয়। আমার নাম পরিবর্তন করে, আমার মেয়ের নাম পরিবর্তন করে ও আমার নাতির নাম পরিবর্তন করে আমার জমি মিউটিশনের মাধ্যমে অন্যের নামে করা হয়। মেহেদী হাসিনা পারভীন নীলুফা বিভিন্নভাবে আমার সাকিন ও নাম পরিবর্তন করে প্রত্যয়ন দেয়,এবং আমার ক্ষতিসাধন করে। ভুক্তভোগী আলেয়া বেগম ন্যায় বিচার পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ট্যাগস :
আপডেট সময় ০৫:১২:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
৫২ বার পড়া হয়েছে

রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নামে প্রতারণার মামলা বিধবা আলেয়ার 

আপডেট সময় ০৫:১২:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নামে প্রতারণার মামলা বিধবা আলেয়ার,ন্যায় বিচারের প্রত্যাশা।
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসিনা পারভীন নিলুফা ও রতনদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্মল সাহাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা দায়ের করেন।
মামলার নম্বর ১৫৪/২৪ যার ধারা,৪০৬/৪২০/৩২৩ /৫০৬(২) দণ্ডবিধি। মামলাটি দায়ের করেছেন  আলেয়া বেগম (৫০) নামের এক বিধবা নারী, আলেয়া বেগম কালুখালীর পশ্চিম ধানবাড়ীয়া গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিন বিশ্বাসের স্ত্রী। মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন: আ. মতিন, জিন্নাহ প্রামানিক, মিজানুর রহমান মিজান, সিদ্দিক, নজরুল খা, লালটু ফকির, অজয় মুহুরী এবং মুক্তার মেম্বার।
বাদী আলেয়া বেগমের মামলাসূএে জানা যায় যে, আসামীরা তার পরিবারের সদস্যদের ছবি তুলে তাকে জানায় যে,শেখ হাসিনার ঘর বরাদ্দ হয়েছে তার নামে। কিন্তু পরে ওই ঘরটি অন্য কাউকে বরাদ্দ দেয়া হয়। এ ঘটনার কারণ জানতে চাওয়ার পর, রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসিনা পারভীন নিলুফার নির্দেশে আসামীরা বাদী আলেয়া বেগমকে মারধর করে এবং তার জীবননাশের হুমকি দেয়।এ অবস্থায় আলেয়া বেগম আদালতে মামলাটি দায়ের করেছেন।
 মামলা বিগত ১ বছর চলমান রয়েছে, কালুখালী থানা সাব ইনসপেক্টার শাহাদত হোসেন উক্ত মামলার চার্চশীট প্রদান করে যেখানে লেখা আছে উক্ত ব্যক্তিগণের বিরুদ্ধে এই মামলার কোন সম্পৃক্ত নাই। তাদের এই মামলা থেকে অব্যহতি প্রদানের জন্য চার্চশীট প্রদান করে। কিন্ত বাদী আলেয়া বেগম এই মামলার নারাজী কোর্টে পেশ করেন।
ঘটনার পর, মিজানুর রহমান মিজান, লালটু ফকির এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্মল সাহা এলাকা থেকে পালিয়ে যান।
অসহায় আলেয়ার অভিযোগ  নাম ও সাকিন পরিবর্তন করে, আমার বরাদ্দকৃত ঘর মেহেদী হাসিনা পারভীন নিলুফা অন্য মানুষকে দিয়ে দেয় । বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন সময় নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে আমার মামলার আমাকে ঠকানো হয়।আমাকে না জানিয়ে আমার দায়েরকৃত মামলার আসামিদেরকে জামিন দেওয়া হয়। আমার নাম পরিবর্তন করে, আমার মেয়ের নাম পরিবর্তন করে ও আমার নাতির নাম পরিবর্তন করে আমার জমি মিউটিশনের মাধ্যমে অন্যের নামে করা হয়। মেহেদী হাসিনা পারভীন নীলুফা বিভিন্নভাবে আমার সাকিন ও নাম পরিবর্তন করে প্রত্যয়ন দেয়,এবং আমার ক্ষতিসাধন করে। ভুক্তভোগী আলেয়া বেগম ন্যায় বিচার পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।