ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
যানজট নিরসন ও ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া প্রতিরোধে ঢাকা জেলা যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নের সচেতনতা কর্মসূচি ১২ নম্বর ওয়ার্ডে তরুণ নেতৃত্বের আলোচনা: কাউন্সিলর পদে লড়তে চান যুবদল নেতা আমিনুর রহমান শান্ত শাহআলীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় মামলা ও বিক্ষোভ মিছিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য রাখছেন রাজবাড়ীর পাংশায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন রাজবাড়ীর কালুখালীতে বিক্রয় প্রতিনিধি জোট ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বৃহত্তর মিরপুরস্থ আইনজীবী কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীর পাংশায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন, প্রথম ধাপে ১,২০১ পরিবার উপকৃত আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আলোচনা সভায় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সময় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-বেগম খালেদা জিয়া নারী শিক্ষা বিস্তারে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করছেন বর্ষীয়ান কবি মোহাম্মদ আবদুল মান্নানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুমোদন: নির্বাচনের দিনই গণভোট — জাতির উদ্দেশে ভাষণ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের

এস এম জীবন

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুমোদন: নির্বাচনের দিনই গণভোট – জাতির উদ্দেশে ভাষণ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটায় দেওয়া এই ভাষণে তিনি ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের অনুমোদন ঘোষণা করেন এবং একই সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তের কথা জানান।

প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে বলেন, “ঐকমত্য কমিশন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় বসেছে। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে রাজনৈতিক নেতারা কমিশনের বিভিন্ন সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছেন। মতের পার্থক্য থাকলেও তা কমিয়ে আনার আন্তরিক চেষ্টা করেছেন এবং বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। দেশবাসী সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়াটি প্রত্যক্ষ করেছেন -যা বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনা।”

তিনি আরও বলেন, “ঐকমত্য কমিশনের প্রণীত ‘জুলাই সনদ’-এ সংবিধানসংক্রান্ত ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। এটি একটি ঐতিহাসিক অর্জন। কিছু প্রস্তাবে সামান্য ভিন্নমত থাকলেও অধিকাংশ বিষয়ে দলগুলো একই নীতিতে একমত। কেউ কেউ সংস্কারগুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে চান, আবার কেউ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পক্ষে। কিন্তু সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা ও লক্ষ্য নিয়ে কারও মধ্যে বিরোধ নেই।”

ড. ইউনূস বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য যতটা পরস্পরবিরোধী মনে হয়, জুলাই সনদ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় ততটা নয়। এটি আমাদের গণতান্ত্রিক যাত্রায় এক অনন্য মাইলফলক, যা জাতিকে এগিয়ে যেতে নতুন সাহস দেবে।”

ভাষণের শেষে তিনি ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ও রাজনৈতিক নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “গণতান্ত্রিক চর্চার এই অসাধারণ আয়োজন ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য আশাব্যঞ্জক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।”

ট্যাগস :
আপডেট সময় ১০:০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
৪৭ বার পড়া হয়েছে

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুমোদন: নির্বাচনের দিনই গণভোট — জাতির উদ্দেশে ভাষণ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের

আপডেট সময় ১০:০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুমোদন: নির্বাচনের দিনই গণভোট – জাতির উদ্দেশে ভাষণ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটায় দেওয়া এই ভাষণে তিনি ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের অনুমোদন ঘোষণা করেন এবং একই সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তের কথা জানান।

প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে বলেন, “ঐকমত্য কমিশন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় বসেছে। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে রাজনৈতিক নেতারা কমিশনের বিভিন্ন সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছেন। মতের পার্থক্য থাকলেও তা কমিয়ে আনার আন্তরিক চেষ্টা করেছেন এবং বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। দেশবাসী সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়াটি প্রত্যক্ষ করেছেন -যা বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনা।”

তিনি আরও বলেন, “ঐকমত্য কমিশনের প্রণীত ‘জুলাই সনদ’-এ সংবিধানসংক্রান্ত ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। এটি একটি ঐতিহাসিক অর্জন। কিছু প্রস্তাবে সামান্য ভিন্নমত থাকলেও অধিকাংশ বিষয়ে দলগুলো একই নীতিতে একমত। কেউ কেউ সংস্কারগুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে চান, আবার কেউ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পক্ষে। কিন্তু সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা ও লক্ষ্য নিয়ে কারও মধ্যে বিরোধ নেই।”

ড. ইউনূস বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য যতটা পরস্পরবিরোধী মনে হয়, জুলাই সনদ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় ততটা নয়। এটি আমাদের গণতান্ত্রিক যাত্রায় এক অনন্য মাইলফলক, যা জাতিকে এগিয়ে যেতে নতুন সাহস দেবে।”

ভাষণের শেষে তিনি ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ও রাজনৈতিক নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “গণতান্ত্রিক চর্চার এই অসাধারণ আয়োজন ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য আশাব্যঞ্জক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।”