ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সভাপতি রবিন খাঁন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ঢাকা পাবনা মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ আহত ৩ ঢাকাস্থ ফুলবাড়ী সমিতির ঈদ উপহার ও হুইল চেয়ার বিতরণ লোহাগড়া মডেল প্রেসক্লাবের ত্রাণ পূর্ণবাসন সম্পাদকের ঈদ শুভেচ্ছা দেশ নায়ক তারেক রহমানের পক্ষে আমিনুল ইসলাম শান্তর ঈদ সামগ্রী বিতরণ ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সভাপতির ঈদ শুভেচ্ছা যমুনা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট’র স্বত্বাধিকারী কাজি রায়হানের ঈদ শুভেচ্ছা সংস্করণ ফাউন্ডেশন ও বিইউবিটি সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ক্লাব হতে শিশুদের জন্য ঈদ জামা-কাপড় ও তাদের পরিবারকে ঈদ বাজার উপহার যথাযোগ্য মর্যাদায় বাঘায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও দেশনায়ক  তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ছে।

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বড়বড়িয়া বেলতলার

২০ বছর ধরে মাকে নিয়ে রাস্তার ধারে জিনারুল

আলা উদ্দিন

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বড়বড়িয়া বেলতলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জিনারুল বিশ্বাস (৪০)। রাজশাহীর আন্তজেলার রোজা নামের গাড়িতে সহকারীর কাজ করতেন তিনি। ২০০১ সালে যুবক বয়সেই বসেছিলেন বিয়ের পিঁড়িতে। বেঁধেছিলেন সংসার। তবে বেশি দিন টেকেনি সেই সংসার।

২০০২ সালে একটি দুর্ঘটনায় আহত হন জিনারুল। এতে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয় তাকে। তারপর কোমর থেকে পায়ের নিচ পর্যন্ত ক্ষত থেকে শরীরে শুরু হয় পচন। এতে পুরোপুরি শয্যাশায়ী হতে হয় তাকে। এরপর থেকে তার জীবনে নেমে আসে অন্ধকার ও একাকিত্ব। হয়ে পড়েন কর্মহীন। এ কারণে ২০০৩ সালে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যান। তাতে কী? অচল ও রোগাক্রান্ত সন্তানকে তো আর ফেলতে পারেননি জিনারুলের মা জহুরা বেওয়া (৭২)। সেই থেকে আজ অবধি সন্তানকে আগলে রেখেছেন তিনি।

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ১০:৫৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২
২২৮ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বড়বড়িয়া বেলতলার

২০ বছর ধরে মাকে নিয়ে রাস্তার ধারে জিনারুল

আপডেট সময় ১০:৫৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বড়বড়িয়া বেলতলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জিনারুল বিশ্বাস (৪০)। রাজশাহীর আন্তজেলার রোজা নামের গাড়িতে সহকারীর কাজ করতেন তিনি। ২০০১ সালে যুবক বয়সেই বসেছিলেন বিয়ের পিঁড়িতে। বেঁধেছিলেন সংসার। তবে বেশি দিন টেকেনি সেই সংসার।

২০০২ সালে একটি দুর্ঘটনায় আহত হন জিনারুল। এতে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয় তাকে। তারপর কোমর থেকে পায়ের নিচ পর্যন্ত ক্ষত থেকে শরীরে শুরু হয় পচন। এতে পুরোপুরি শয্যাশায়ী হতে হয় তাকে। এরপর থেকে তার জীবনে নেমে আসে অন্ধকার ও একাকিত্ব। হয়ে পড়েন কর্মহীন। এ কারণে ২০০৩ সালে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যান। তাতে কী? অচল ও রোগাক্রান্ত সন্তানকে তো আর ফেলতে পারেননি জিনারুলের মা জহুরা বেওয়া (৭২)। সেই থেকে আজ অবধি সন্তানকে আগলে রেখেছেন তিনি।